Uncategorized

বিমূর্ততা নাকি দেখার পার্থক্য

বিমূর্ততা নাকি দেখার পার্থক্য ব ম র তত ন ক দ - যেমন আনন্দ ও সুখের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, তেমনি বিমূর্ত ও মূর্ত চিত্রকলার মধ্যে পার্থক্য নিহিত। মূর্ত

Desk Uncategorized
Published June 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিমূর্ততা নাকি দেখার পার্থক্য

ব ম র তত ন ক দ – যেমন আনন্দ ও সুখের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, তেমনি বিমূর্ত ও মূর্ত চিত্রকলার মধ্যে পার্থক্য নিহিত। মূর্ত চিত্র দৃশ্যমান বাস্তব পরিচিত জগতের আকৃতি ও অনুভূতিকে স্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করে; দর্শক পরিচিত জগতের মধ্যে নতুন করে অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কিন্তু বিমূর্ত শিল্পের পরিসর ভিন্ন। সেখানে বাস্তবতার প্রত্যক্ষ উপস্থিতি থাকে না; অনুভূতি ও স্মৃতির রূপান্তরিত ভাষা দিয়ে মনের জগতের রূপ তৈরি হয়।

স্মৃতি ও ভূপ্রকৃতির ব্যাখ্যা

বিপ্লব বিপ্রদাস তাঁর কাজকে শুধুমাত্র ‘বিমূর্ত’ বলতে রাজি নন। বরং তাঁর প্রদর্শনী বিমূর্ত ও আধা বিমূর্ত ভাষার সংমিশ্রণ প্রকাশ করে। সুন্দরবনের নদী, খাল, ম্যানগ্রোভ অরণ্য ও উপকূলীয় আবহ তাঁর অনুভূতির উৎস। বাগেরহাটের রামপাল অঞ্চলে কাটানো শৈশব ও কৈশোর তাঁর শিল্পসত্তায় গভীর ছাপ রেখেছে। তাঁর ক্যানভাসে সেই স্মৃতির রং, গন্ধ ও আবহ আজও ফিরে ফিরে আসছে।

ঢাকায় এসে নগরজীবনের দৃশ্য ও স্থাপত্য তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় একক প্রদর্শনীতে তিনি নগরের রূপকে আধা বিমূর্ত ভাষায় ধারণ করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাঁর শিল্পভাষার সামগ্রিক প্রকাশ সেখানে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। সেই অনুসন্ধান তাঁকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দেয়নি; ফলে তাঁর চিত্রপৃষ্ঠ আবার ফিরে গেছে শিকড়ের দিকে—স্মৃতি, ভূপ্রকৃতি ও অনুভবের উৎসের দিকে।

প্রকৃতির পুনর্গঠন

বর্তমান প্রদর্শনীর কাজগুলোতে সেই প্রত্যাবর্তনের লক্ষণ স্পষ্ট। যদিও রং, রেখা ও টেক্সচারের ব্যবহারে সম্পূর্ণ নতুনত্বের দাবি করা যায় না। কিন্তু বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পচর্চায় মনিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইউনুস ও মোহাম্মদ ইকবালের চিত্রভাষার নানা অনুষঙ্গ তাঁর ক্যানভাসে লক্ষ করা যায়। শিল্পী নিজেও তাঁদের প্রভাব স্বীকার করেন। তবু তাঁর কাজ নিছক অনুসরণের পর্যায়ে আটকে নেই। চিত্রপৃষ্ঠে রঙের স্তর বসানো, উপাদানের সংযোজন-বিয়োজন এবং কোথাও কোথাও ত্রিমাত্রিক বস্তু সংযুক্ত করার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের অভিজ্ঞতার একটি

Leave a Comment