পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামে ব্যবহৃত ‘ধাম’ শব্দটি অপসারিত হয়েছে
সরকার বদলের পর ধাম শব্দের সমাপ্তি
পশ চ মবঙ গ সরক র বদল – পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামে ব্যবহৃত ‘ধাম’ শব্দটি অপসারিত হয়েছে। নতুন নাম হিসেবে ‘শ্রীশ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ ঘোষণা করা হয়েছে। এই পরিবর্তনে সরকার বদলের প্রভাব স্পষ্ট। পূর্বে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার মন্দিরকে ‘জগন্নাথ ধাম’ হিসেবে প্রচার করেছিল, কিন্তু সম্প্রতি নতুন সরকারের কাছে সেটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্পাসের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব ঘোষণা করেন। তিনি বলেন যে বাংলার পুরাতন সংস্কৃতি সম্পর্কে তিনি সচেতন। এই পরিবর্তন সংস্কৃতির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে নেওয়া হয়েছে। পুরীতে জগন্নাথ ধাম নির্মাণ করেছিলেন শঙ্করাচার্য। এটি ভারতের চার প্রান্তে চারটি ধামের একটি। পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর ধাম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে যাতে পুজোপাঠের সময় কোন অস্পষ্টতা না থাকে।
“ধাম শব্দটি সনাতন সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই মন্তব্যটি করেন। তিনি জানান যে পুরীতে জগন্নাথ ধামের স্থান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এই পরিবর্তনে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগুলি আরও বিশেষ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি পুরীর সাংসদ সম্বিতকে পাঠিয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর এই প্রস্তাবের প্রশংসা করেন।
ধাম শব্দের ঐতিহ্য ও বিরোধিতা
পূর্বে সনাতনী হিন্দু সমাজের একটি অংশ ধাম শব্দটির বিরোধিতা করেন। তাঁদের দাবি ছিল যে ভারতের চার প্রান্তে চারটি ধাম রয়েছে যারা ঐতিহ্যগত জায়গা। এই নামের ব্যবহার কিছু বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরিবর্তনের দাবি করা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর ধাম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই সাথে ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনে আলোচনা করা হয়েছে।
অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন যে ধাম শব্দটি ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত। তাঁদের মতে, নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর ধাম শব্দটি সরাসরি সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের চিহ্ন। সংস্কৃতি বা ঐতিহ্যগুলি পূর্বে রাজনৈতিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিল। এখন তাঁদের বিশ্বাস ছিল যে ধাম শব্দটি বাংলা ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মন্দিরের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
দীঘার জগন্নাথ মন্দিরটি কিছু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক স্থান হিসেবে পরিচিত। মন্দিরটি তৃণমূল কংগ্রেস সরকার দ্বারা গৃহীত হয়েছিল। ২০২৫ সালের এপ্রিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। তখন থেকে তিনি জগন্নাথ মন্দিরকে জগন্নাথ ধাম হিসেবে প্রচার করতেন।
মন্দিরটি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অন
