ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর ৫ দেশের নিষেধাজ্ঞা
ইসর য ল বসত স থ পনক – ইসরায়েলের বসতি স্থাপনকারীদের ওপর পাঁচটি পশ্চিমা দেশ কার্যকরী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং নরওয়ে দেশগুলো এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এ তথ্য প্রকাশ করেছে যে, মঙ্গলবার এ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য
পাঁচটি দেশ বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে সাধারণ বাধা প্রবর্তন করেছে। এ পদক্ষেপে ছয়টি ডানপন্থী সংগঠন এবং একজন উগ্র ডানপন্থী অধিকারকর্মী বাধ্য করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ করা হবে। বসতি স্থাপনকারীদের পশ্চিম তীরের অধিকৃত ভূমি থেকে বাইরে পালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা করতে দেওয়া হয়েছিল।
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচকে ফ্রান্সে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাঁকে দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিষেধাজ্ঞা জারি করার কারণ দিয়েছে যে, স্মোট্রিচ পশ্চিম তীরের অধিকৃত ভূমি দখল করতে সক্রিয়ভাবে উৎসাহ দিচ্ছেন।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বসতি স্থাপনকারীদের প্রতিরক্ষা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এগুলো জাতীয় বিশ্বাস জাগানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্য এর মধ্যে আগে থেকেই বিভিন্ন ডানপন্থী গোষ্ঠী এবং বসতি স্থাপনকারী কর্মীদের কাছে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে আমানা নামের সংস্থা, নাচালা দল, হাশোমার ইয়োশ, তোরাত লেখিমা ও লেহাভা সংগঠন। এছাড়াও বিশেষ ভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এলিশা ইয়েরেদ, নোয়াম ফেডারম্যান, নেরিয়া বেন পাজি এবং ইডেন লেভি কর্মীদের বিরুদ্ধে।
রেগাভিম গোষ্ঠী থেকে বৈপরীত্য
অপরদিকে রেগাভিম গোষ্ঠী বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা থেকে বাদ পড়েছে। এ গোষ্ঠীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্মোট্রিচের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বসতি প্রশাসন বিভাগের প্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এলিয়াহু ইহুদা এলিয়াহু নামে গোষ্ঠীর সহপ্রতিষ্ঠাতা।
বসতি স্থাপনকারীদের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া পদক্ষেপ বিশ্ব সম্পর্কে বিশেষ করে ইসরায়েল বিষয়ে আরো গুরুতর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনা কার্যকরী দেশগুলোর বৈকল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। এছাড়াও এটি অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
