Uncategorized

‘পুশ ইন’ ঠেকাতে সীমান্তে ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য

বিজিবি সীমান্তে দৃঢ় প্রতিরোধ করছে বিএসএফ পুশ ইন প শ ইন ঠ ক ত স - সীমান্ত রক্ষা করতে বাংলাদেশের বিজিবি বাহিনী প্রতিদিন চার পালা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। বিএসএফ

Desk Uncategorized
Published June 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিজিবি সীমান্তে দৃঢ় প্রতিরোধ করছে বিএসএফ পুশ ইন

প শ ইন ঠ ক ত স – সীমান্ত রক্ষা করতে বাংলাদেশের বিজিবি বাহিনী প্রতিদিন চার পালা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। বিএসএফ এর মাধ্যমে চার দিনে কুড়ি হাজার বিভিন্ন স্থানে বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সাথে স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় সীমান্তে সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি গুরুতর করা হয়েছে।

বিএসএফ পুশ ইন চেষ্টা বাধা দিল বিজিবি

গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চার দিন বিএসএফ দ্বারা ২১টি পুশ ইনের চেষ্টা সফল হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বিজিবি দ্বারা দুই শতাধিক ব্যক্তি অবরোধ করা হয়েছিল। বিশেষ করে চার দিনে মেহেরপুরে তেঁতুলবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর ও দিনাজপুরে বিরামপুর সীমান্তে সর্বোচ্চ দুই শতাধিক ব্যক্তি বাধা পেয়েছেন।

বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় পুনর্ব্যক্ত করছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থী কোনো ধরনের পুশ ইন চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

২০২৫ সালের ৭ মে থেকে চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে বিএসএফ মোট ২ হাজার ৪৭৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছিল। এর মধ্যে ভারতীয় নাগরিক ছিলেন ১২০ জন। এর পর থেকে দেশে কোনো পুশ ইনের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি বিজিবির।

সীমান্ত সংকট প্রতিকারে সম্মেলন

নয়াদিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অবৈধ পুশ ইন, সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় আলোচনার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনে ভারতীয় নাগরিক ও বিভিন্ন ধরনের মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য চোরাচালান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হবে।

বিজিবি সদর দপ্তর সূত্র অনুযায়ী, ভারত থেকে বাংলাদেশে সীমান্তের অর্ধেকের বেশি অংশ অরক্ষিত। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত সামনে দিয়ে বিশেষ করে দীর্ঘ অর্ধেক সীমান্ত রয়েছে। সেগুলো চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, ফেনী, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, কুমিল্লা, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও শেরপুর নামে সীমান্ত সংকট প্রতিকারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিজিবি সদর দপ্তরের উপমহাপরিচালক (গণমাধ্যম) কর্নেল আবুল হাসনাত মাহমুদ আজম বলেন, মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে ভারতীয় নাগরিক ও দুষ্কৃতকারীদের দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা, আহত ও নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হবে।

Leave a Comment