Uncategorized

আজাদ খান, জনস্বাস্থ্যের এক আজীবন অভিযাত্রী

আজাদ খান, জনস্বাস্থ্যের এক আজীবন অভিযাত্রী আজ দ খ ন জনস ব স - ড. এ কে আজাদ খানের জীবনে অনেক কথা শুনতে পাওয়া গেল নিয়মিত সাক্ষাৎকারের পরিবেশে। তাঁর শুরু

Desk Uncategorized
Published June 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

আজাদ খান, জনস্বাস্থ্যের এক আজীবন অভিযাত্রী

আজ দ খ ন জনস ব স – ড. এ কে আজাদ খানের জীবনে অনেক কথা শুনতে পাওয়া গেল নিয়মিত সাক্ষাৎকারের পরিবেশে। তাঁর শুরু হয়েছিল বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণকাঠী গ্রামে। তিনি ১৯৪১ সালে সেখানে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষা গ্রামের পাদ্রীশিবপুরে অতিক্রম করেছিলেন।

তাঁর বাবা মৌলভী ফজলুর রহমান খানের বলা ছিল যে, চতুর্থ শ্রেণির পরিবর্তে দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া ভালো। বিষয়টি তাঁর সিদ্ধান্তে আসে। পাদ্রীশিবপুরের মিশন স্কুলে তিনি পড়াশোনা করেন। সেই স্কুলের ইতিহাস নিয়ে তাঁর পর্তুগিজদের আগমন ও চার্চ প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেন।

১৯৫৮ সালে তিনি ঢাকায় আসেন ম্যাট্রিক পাস করে। শুরুতে নটর ডেম কলেজে ভর্তি হলেও থাকার সমস্যার কারণে ঢাকা কলেজে চলে যান। তিনি মনে করেন যে সে সিদ্ধান্তটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ সেখানে কবীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন।

১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সে সময় ডাক্তারি পড়া খুব জনপ্রিয় ছিল না। তাঁর ব্যাচে প্রথম বিভাগে পড়েছিলেন সবার মধ্যে তিনিই একমাত্র মেডিকেলে ভর্তি ছাত্র। গবেষণার পর থেকে তাঁর আগ্রহ ছিল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে। গ্রামের মানুষের পেটের রোগ দেখে তা তৈরি হয়।

না, ক্লাস টুতে ভর্তি করো। গোড়াটা শক্ত হোক।

১৯৭২ সালে তিনি কমনওয়েলথ ফেলোশিপ নিয়ে অক্সফোর্ডে যান। সেখানে গবেষণাজীবনের নতুন পর্যায় শুরু হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, অক্সফোর্ড তাঁকে স্বাধীন চিন্তার সম্পূর্ণ ক্ষমতা দেয় দেয়েছিল। শুধু মুখস্থ করা নয়, বোঝার ও নতুন প্রশ্ন করার ক্ষমতা তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

অক্সফোর্ডে তিনি আলসারেটিভ কোলাইটিস নিয়ে গবেষণা করেন। সেই গবেষণার ফল ল্যানসেট সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। সে সময় তাঁর প্রবীণ গবেষণার ফল চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন পথ খুলে দেয়। কিন্তু পেটেন্ট নেওয়া সুযোগ ছিল বলে তিনি এটি গ্রহণ করেননি। কারণ পেটেন্ট নিলে ওষুধের দাম বেড়ে যেত।

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি

ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মৃত্যুর পর সমিতিটি কঠিন পরিস্থিতি পেয়েছিল। তাঁর সংগঠনে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে বারডেম, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজ সম্প্রসারিত হয়েছিল।

ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধে তিনি বলেন, মানুষ শারীরিক পরিশ্রম কম করছে। অথচ নিয়মিত হাঁটা বা শরীরচর্চা রোগ ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তিনি পর্যালোচনা করেন ধর্মীয় নেতাদের মাধ

Leave a Comment