গাইবান্ধায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু
গ ইব ন ধ য় শ কন – গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। তার ফলে মা কল্পনা রানী (৫৫) এবং তার ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩০) দুই জনের জীবন নিহত হয়। এই ঘটনায় গাইবান্ধা জেলার নাগরিকদের মন দুঃখে ভরে উঠেছে। এই পরিবার দুই ব্যক্তি আজ দুপুরে বজ্রপাতে মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে ফেলেছে এবং আশপাশের বাসিন্তা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তাদের পরিবারকে একটি পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। গাইবান্ধা জেলার নাগরিকরা এই ঘটনার প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং মান্দুরা গ্রামের স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে তথ্য প্রচার করেছেন।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
গাইবান্ধা জেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামে সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। গত ঈদে তিনি বাড়িতে আসেন এবং পরিবারের সাথে শুকনো পাতা তুলতে গিয়ে এই মনোভাবে জমি পরিদর্শন করেন। বৃষ্টি আশঙ্কা দেখা দেয় এবং তাঁদের কাছে গাইবান্ধা জেলার এই এলাকায় নিয়মিত হওয়া সূত্রে সেই সময়ে এই স্থানে সাধারণত বজ্রপাতে মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে বলে জানা ছিল। তাই গাইবান্ধা জেলার স্থানীয় বাসিন্তা সেই দিন বৃষ্টি আসার পূর্ব হতে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু ঘটনার সময় বজ্রপাতে তাঁদের কাছে একটি দুর্দশা ঘটে।
সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীর জানান যে এই ঘটনায় দুই নিহতের মৃত্যু আজ দুপুরে নিশ্চিত হয়। গাইবান্ধা জেলার পরিবার দুই ব্যক্তির জীবন হারিয়েছে বলে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। গাইবান্ধা জেলার বাসিন্তা সূত্রে জানা গিয়েছে যে মৃত ব্যক্তিরা সাধারণত গ্রামে স্থানীয় কাজে নিযুক্ত ছিলেন। তাঁদের মৃত্যুর পর গাইবান্ধা জেলার নাগরিকদের মন দুঃখে ভরে উঠেছে।
আঘাতগ্রস্ত পরিবারের প্রতিক্রিয়া
গাইবান্ধা জেলার এই ঘটনার পর বাসিন্তা ও নিহতদের পরিবার থেকে জানা গিয়েছে যে সোহাগ চন্দ্র দাস সম্ভবত শুকনো পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যুর সাক্ষাত হয়। তিনি এই সময় তাঁর বাড়ির পাশের জমিতে শুকনো গাছের পাতা বের করতে যান। গাইবান্ধা জেলার বাসিন্তা সূত্রে বলা হয় যে এই ঘটনার জন্য সেই স্থানে তাঁদের কাছে বিশেষ করে কর্মসূত্রে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু এই ক্ষেত্রে মা কল্পনা রানী এবং তার ছেলে দুই ব্যক্তি দুঃখজনক মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন।
সেই স্থানে অবস্থান করতে গিয়ে তাঁদের সাথে বজ্রপাতে সংঘটিত হয়। তিনি গাইবান্ধা জেলার মান্দ�
