ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে সংশয় নিয়ে
স শয় ন য় ই শ র – গতকাল রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংশয় নিয়ে শুরু হয়েছে শান্তি আলোচনা। এই আলোচনা সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক শহরে প্রতিদিন সাতটা থেকে শুরু হবে এবং মোট ছয় মাস চলবে। বৈঠকের লক্ষ্য গত বুধবার সই হওয়া ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে থাকা বিষয়গুলো সমাধানে স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধ করা।
গতকাল বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটায় দুই পক্ষের আলোচনা শুরু হয়। প্রথম ধাপে প্রায় ৮০ মিনিট বৈঠক চলে। তবে আলোচনার মধ্যে কী কী আলোচনা হয়েছে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা মধ্যস্থতাকারীদের কেউ কিছু জানাননি। তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানায়, দুই দেশের প্রতিনিধিদলের আলোচনা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ছবি তোলার প্রস্তাব নাকি হাত মেলানো বা না হাত মেলানো সম্পর্কে কোনো খবর দেননি।
বৈঠক শুরুর ঘোষণা কাতারের পক্ষ থেকে প্রথম আসে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, দুই পক্ষের মধ্যে টেকসই চুক্তি প্রশস্ত করাই আলোচনার লক্ষ্য। আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জসিম আল থানি। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির কাজ করছে বৈঠকে।
ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে কথা বলছেন। ভ্যান্সের সঙ্গে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা ও জামাতা জারেড কুশনার।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। পরে ৮ এপ্রিল দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষার প্রতিপক্ষে রাজি হয়। কিন্তু ১২–১৩ এপ্রিল পাকিস্তানে আলোচনা শুরু হয় না। তার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসানো হয়।
আজ আমরা আমাদের জব্দ হয়ে থাকা সম্পদ এবং সেগুলো অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছি। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল ইরানের জ্বালানি খাত–সংশ্লিষ্ট নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি। আমরা তেল ও তেলজাত পণ্যের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা থেকে সাময়িক অব্যাহতির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবের চূড়ান্ত খসড়াও সম্পন্ন হয়েছে।
ইরানের প্রতিনিধি হোসেইন গুরবানজাদেহ বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দারুণ আলোচনা হবে।’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি জেডি ভ্যান্স মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার জন্য ইরানকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মধ্যপ্রাচ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের এই ধরন বদলাতে পারব কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।’
ট্রাম্পের নেতৃত্বের প্রশংসা করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘তাঁর সেই নেতৃত্বের কারণেই এখানে বৈঠক হচ্ছে। �
