Uncategorized

শাকিব খানের সঙ্গে যে কেউ কাজ করতে চায়…

ঈদুল আজহার উপলক্ষে প্রথম সিনেমার অভিনয়ে সুনিধি নায়েকের অভিজ্ঞতা জানুন শ ক ব খ ন র সঙ - ঈদুল আজহার পর্বে সিনেমা জগতে প্রথম আত্মপ্রকাশ করছে সংগীতশিল্পী সুনিধি

Desk Uncategorized
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঈদুল আজহার উপলক্ষে প্রথম সিনেমার অভিনয়ে সুনিধি নায়েকের অভিজ্ঞতা জানুন

শ ক ব খ ন র সঙ – ঈদুল আজহার পর্বে সিনেমা জগতে প্রথম আত্মপ্রকাশ করছে সংগীতশিল্পী সুনিধি নায়েক। গত শুক্রবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন মকফুল হোসেন। এ সময় বিশেষ করে তাঁর কাছে যে কেউ নিজের কাজের টিজার দেখে কী মনে হয়েছিল তা জানতে চায় প্রশ্নোত্তর সমাপ্তি করেছিলেন মানুষজন।

আগে থেকে ক্রেজি ভাবে মানুষের রে অ্যাকসেপ্টেবল

সুনিধি নায়েক বলেন, “আমি মানুষজনের কাছে খুব খুশি। তাঁরা আমার কাজ দেখে প্রশংসা করছেন। আমি চেয়েছিলাম মানুষ কাজটা দেখে নিজেদের মত দিয়ে বলতে পারেন। আগে থেকে বেশি বলাবলি না করি।” এই কথাগুলো তিনি জানায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন এবং তাঁর অভিনয় সম্পর্কে আন্তরিক ভাবে মন্তব্য করেছেন।

“আমি চাপ ফিল করছি না। আমার মনে হয়, আমার জীবনের সব কাজই তো আর ভালো হবে না, তা–ই না? আমি একটার পর একটা কাজ করেই যাব। মানুষজন আমার কাজ দেখে প্রশংসা করতে পারেন, মানুষজন আমার কাজকে খারাপও বলতে পারেন। দুটোই অ্যাকসেপ্টেবল। সো, শুধু কাজ নিয়েই কথা হোক, আমি এটাই চাই।”

এই সিনেমাটি সংগীত নিয়ে কাজ করেছেন সুনিধি নায়েক। তিনি বলেন, “সিনেমায় আমার কোনো গান নেই। মিউজিক বানানোটা আমার জীবনের প্রথম প্রায়োরিটি। জীবনে আমি বেশি কিছু চাইনি; আমি চেয়েছি নিজের বাসায় এক কোণে পড়ে থেকে শান্তিতে মিউজিক বানাব—এটা আমার স্বপ্ন, এটাই আমি সারা জীবন করতে চাই।” সেই স্বপ্ন অনুসারে সিনেমাটি করেছেন তিনি।

শাকিব খান একজন মেগাস্টার

সুনিধি নায়েক সহশিল্পী হিসেবে শাকিব খানের সঙ্গে এই সিনেমাটি করেছেন। তিনি বলেন, “উনি একজন মেগাস্টার। উনি এমন একটা মানুষ, ওনার সঙ্গে যে কেউ কাজ করতে চায়। ওনার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করাটা আ ব্লেসিং ইন ইটসেলফ। উনি যে এত বড় একজন মেগাস্টার, এত ফানি ইন আ ওয়ে। কাজের ক্ষেত্রে অনেক ডেডিকেটেড। একটা সিন পারফেক্ট না হওয়া অবধি লেগে থাকেন। উনি খুবই ভালো। ওনার সঙ্গে কাজ করার এক্সপেরিয়েন্স খুবই ভালো।”

“ওনার কথা তো আসলে আলাদা করে কিছু বলার নেই। তাঁর কথা তো সবার প্রথমে আসে।”

সিনেমাটি বানানোর প্রক্রিয়ায় শাকিব খানের কাজ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। ডিরেক্টর আজমান রুশো তাঁকে ডেকেছিলেন যখন সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখার কাজ চলছিল। এই সিনেমার জন্য প্রাক কাজের ক্ষেত্রে তাঁর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টের চেষ্টা চলছিল। কয়েকটা সিনেমার সঙ্গে তাঁর সংগঠন করেছিলেন ডিরেক্টর রুশো। তাঁর কাজটা দুই-তিন মাসের মধ্যে হুট করে হয়ে গেল। আরও কিংবা আগামী বছর আর কয়েকটি সিনেমার স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন তিনি।

ঈদে মুক্তি পাবে �

Leave a Comment