পঞ্চগড়ে রূপসী বুনো ফুল ল্যান্টানা মনোমুগ্ধ করছে
প্রাণী এবং সৌন্দর্যের এক নবজাগরণ
পঞ চগড় পথ র ধ র শ – ফুল শব্দটি সামনে এলেই যেন এক অন্য রকম ভালো লাগে। আর যদি সেই ফুলটি নয়নাভিরাম হয় তবে তা আর কথাই নেই। দেশের সর্বোত্তম জেলা পঞ্চগড়ে নীরবে শোভা ছড়াচ্ছে এমন রূপসী বুনো ফুলটি। সেই ফুল সম্প্রতি পঞ্চগড় সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলার পথের ধারে ঝোপঝাড়ে আর পতিত জমিতে প্রাণবন্ত রূপে প্রকাশ পেয়েছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিদ্যালয়শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন, “ল্যান্টানা আমাদের জেলার বিভিন্ন এলাকার পথের ধারে, নদীর পাড়ে শোভা ছাড়াচ্ছে। দেখতে চমৎকার এই বুনো ফুল নীরবে–নিভৃতে শোভা ছড়ায়। অনেকে এই ফুলের নাম না জানলেও সৌন্দর্য ঠিকই উপভোগ করেন। অনেক কে দেখি ছবি তুলে রাখেন।”
গ্রীষ্ম আর বর্ষাকালে এসব উপজেলার পথের ধার, ঝোপঝাড়ে অপরূপ সৌন্দর্যে মাতিয়ে রাখে ল্যান্টানা। গাঁয়ের মেঠো পথের দুই ধারে এবং ঝোপঝাড়ে ফুটে থাকতে দেখা গেছে চমৎকারভাবে এই ফুল। এটি অনেক পাখি এবং প্রজাপতির মনোমুগ্ধ করছে।
ল্যান্টানার অপরূপ বৈশিষ্ট্য
ল্যান্টানা ফুল গাছের পাতার গন্ধ মাদকতাময় হওয়ায় স্থানীয় ব্যক্তিদের অনেকে একে ‘মাথা ঘুরানি’ গাছ বলে থাকেন। এই উদ্ভিদটি হলুদ, কমলা এবং গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। ফুল ফোটার পর প্রথমে হলকা হলুদ রঙের হয়, ‘ক্যারোটিন’ থাকার কারণে। এ সময় ফুলে পরাগায়ন হয় এবং পরাগায়নের পরই মধুভাণ্ড শেষ হয়ে যায়, পরে এই ফুলের রং বদলাতে থাকে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার কমলাপুর, মীরগড়, ধাক্কামারা এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আজিজনগর, ডাঙ্গাপাড়া, মাগুরা পাড়া এবং গোবরা নদী, মহানন্দা নদীর পাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এই বুনো ফুলকে দেখা গেছে। তা জেলার পথগুলোর দুই পাশে ও ঝোপঝাড়ে প্রকৃতি বন্ধুদের মনে তৈরি করছে অন্য রকম ভালো লাগা।
একটি সৌন্দর্যময় আবহাওয়া
গ্রীষ্মের মধ্যেই বৃষ্টিতে গাছপালা প্রাণ ফিরে পেয়েছে। চারদিক সবুজে ভরে উঠেছে সেই সময়। পঞ্চগড় সদর উপজেলার পথের ধারে বুনো ফুলটি শোভা ছড়ায় নীরবে। এটি অনেক পতিত জমি ও পতিত পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে মনোমুগ্ধ করছে।
তেঁতুলিয়ার পরিবেশকর্মী মাহমুদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, “পথের ধারের বুনো সুন্দর ল্যান্টানা কেবল আমাদের মন ভালো করে দেয় তা নয়, একই সঙ্গে
