Uncategorized

ইরানে মার্কিন হামলার কারণে কি যুদ্ধবিরতি ভেঙে যেতে পারে

ইরানে মার্কিন হামলার কারণে কি যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাবে ইর ন ম র ক ন হ - যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী কাতারে আলোচনার শুরুর আগে ইরানের হরমুজ প্রণালির কাছে বিমান

Desk Uncategorized
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইরানে মার্কিন হামলার কারণে কি যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাবে

ইর ন ম র ক ন হ – যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী কাতারে আলোচনার শুরুর আগে ইরানের হরমুজ প্রণালির কাছে বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। এদিকে ইরানের প্রতিনিধিদল যুদ্ধবিরতি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে কাতারে আসে। এতে বলা হয়, আত্মরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে তারা যাতে মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশানায় ছিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। পাশাপাশি মাইন বসানো চেষ্টা করছে ইরানি নৌকাগুলোও তার নিশানায় ছিল।

যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের পরে কয়েক দিনের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি সেন্টকম। মার্কো রুবিও বর্তমানে ভারতে সফর করছেন এবং সেখানে জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনী কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে এ হামলার বিরুদ্ধে সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে।

হরমুজ প্রণালি ও আন্তর্জাতিক সংঘাত

ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ অঞ্চলে তাদের ঘাঁটি আক্রমণ করেছে। এর ফলে সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রণালি মার্কিন সেনাদের প্রতি মূল্যবান সম্পদ চলাচলের সামগ্রিক সংকট সৃষ্টি করেছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের এক পঞ্চমাংশ এখানে যায়। এ অবরোধ ঘটনা জ্বালানি দাম ও আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে।

ট্রাম্প হামলা নিয়ে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। যদি আলোচনা ব্যর্থ হয় তবে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সবার জন্য একটি দারুণ চুক্তি হতে হবে। অন্যথায় কোনো চুক্তি হবে না।

ইরানের গণমাধ্যমের তথ্য

ইরানি সূত্র বলেছে, নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সাহায্যে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র একটি স্টিলথ ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছিল তা উল্লেখ করেনি। আল–জাজিরাকে তথ্য দিয়েছে ইরানি সূত্র গুলো। তারা জানায়, এই হামলার আগে আইআরজিসি একটি নৌযানকে আক্রমণ করেছে। তবে এ ঘটনার সময় নির্দিষ্ট করেছে না।

মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা অত্যাচার ও আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে এখন বিস্তারিত বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলছে, হরমুজ প্রণালির কাছে হামলার ফলে সব পরিণতি মার্কিন প্রশাসনের দায়িত্ব। এ ঘটনার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি হুমকি দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আর কোনো নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না বলে জানায়।

Leave a Comment