ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে
ধর ষণ ন প ড়ন র ব – বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন গত শুক্রবার রাত আটটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মহানগর শাখা যৌথভাবে সারা দেশে চলমান নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রতিবাদে মশালমিছিল আয়োজন করেছে। মিছিলটি রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর শুরু হয়ে ভিসি চত্বর, হলপাড়া, মধুর ক্যানটিন ও কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিদর্শনের পর সমাপ্ত হয়।
মিছিলের আগে পল্লবীতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশুর বাবার বিষণ্ণ কণ্ঠ শ্রোতাদের কাছে পৌঁছেছিল। তাঁর আর্তনাদ মাইকে বলেছিল: “আমি বিচার চাই না, আপনাদের বিচার করার রেকর্ড নাই।” তা প্রমাণ করেছিল দেশের বিচারব্যবস্থা কতটা দেউলিয়া হয়ে পড়েছে এবং রাষ্ট্র যখন অপরাধীদের সুরক্ষা প্রদান করছে তখন আদালতের প্রতি নাগরিকদের আস্থা আর থাকে না।
সংঘটিত ঘটনার প্রতি বিশেষ মনোনয়ন
ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ ঘোষণা করেন, দেশজুড়ে ধর্ষণ বিষয়ে দায়ের হওয়া মামলার মধ্যে কেবল ৩ শতাংশ মামলার বিচার করা হয়েছে। এ মামলাগুলোতে আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যা নিষ্পত্তি হয়নি।
“দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার যে অবনতি, তা ঠেকাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো কার্যকর ভূমিকা নিতে পারেননি, এতে কোনো সন্দেহ নেই। সারা দেশে যখন ধর্ষণের বিচারের দাবিতে সভা-সমাবেশ চলছে তখন অনেকে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের “পাঁয়তারা” করছেন।” – সৈকত আরিফ
পূর্ববর্তী আন্দোলনের স্মরণ
ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক আল-আমীন রহমান বলেন, গত এক বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা রাতে হলের গেট ভেঙে বেরিয়ে এসে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। সেই মামলা এখন আপিল বিভাগে ঝুলছে।
“বর্তমানে দেশে সাধারণ মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। শিশু থেকে শুরু করে নারী-পুরুষ, কেউই আজ নিরাপদ নয়। একের পর এক রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক অপরাধ ঘটলেও বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা।” – আল-আমীন রহমান
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অর্ক বড়ুয়া আরও বলেন, ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া শিশু
