Uncategorized

ইংরেজি মাধ্যমসহ সব প্রাথমিক বিদ্যালয় মনিটরিংয়ের আওতায় আসছে: ববি হাজ্জাজ

ই র জ ম ধ যমসহ - প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, দেশের প্রতিটি প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান — সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন

Desk Uncategorized
Published August 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
5-1
Foto : Linda Anderson - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. ইংরেজি মাধ্যমসহ দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মনিটরিংয়ের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ইংরেজি মাধ্যমসহ দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মনিটরিংয়ের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত

Banglaprabah.com – ই র জ ম ধ যমসহ – প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, দেশের প্রতিটি প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান — সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন এবং ইংরেজি মাধ্যম — সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আসবে। এ পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তদারকি মূলত সরকারি বিদ্যালয়গুলোতেই সীমাবদ্ধ ছিল; নতুন নীতিমালা এই সীমাবদ্ধতা ভাঙার উদ্যোগ।

চট্টগ্রামে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঘোষণা

১৯ আগস্ট, বুধবার, চট্টগ্রামের পিটিআই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক কর্মশালার প্রধান অতিথি বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।

শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কার্যকর মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। মাঠপর্যায়ে বিদ্যালয় পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব চিত্র যাচাই করে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২৫ উপজেলায় তথ্যের গরমিল শনাক্ত

প্রতিমন্ত্রী তথ্য দিয়েছেন যে, এ পর্যন্ত ২৫টি উপজেলার বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিখন দক্ষতার (এফএলএন) হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ধরা পড়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই ধরনের তথ্যের গরমিল দূর করে বাস্তবভিত্তিক তথ্যের ওপরই শিক্ষা প্রশাসনকে পরিচালনা করতে হবে।

সাতটি ‘নন-নেগোসিয়েবল’ বিষয়ে আপস নয়

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাতটি বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন ববি হাজ্জাজ। তিনি উল্লেখ করেন:

প্রতিটি বিদ্যালয়কে কার্যকর ও নিয়মিত পরিচালিত হতে হবে, শিক্ষকের উপস্থিতি হতে হবে বাস্তব ও নিশ্চিত, শিক্ষার্থীর সংখ্যা সঠিকভাবে যাচাই করতে হবে এবং তারা কী শিখছে, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি সব ধরনের সুবিধা প্রকৃত শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নিরাপদ ও ব্যবহারযোগ্য রাখা এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিষয় প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন ও জনগণের আস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে ‘নন-নেগোসিয়েবল’।

২০২৭ সালের এসএসসি জানুয়ারির পরিবর্তে মার্চে

প্রতিমন্ত্রী জানান, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির পরিবর্তে মার্চে নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে।

স্কুল ফিডিং ও জাতীয় কুইজ প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা

আগামী বছর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান ববি হাজ্জাজ। পাশাপাশি শিশুদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সাধারণ জ্ঞান বিকাশে জাতীয় পর্যায়ে বড় পরিসরে কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে, যা টেলিভিশন শো হিসেবেও সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষক প্রশিক্ষণে শূন্য সহনশীলতা

আমাদের একটি পরিষ্কার অঙ্গীকার — অপ্রশিক্ষিত কোনো শিক্ষককে আমরা শ্রেণিকক্ষে দেখতে চাই না। সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগের মান, প্রশিক্ষণ এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সক্ষমতা ভবিষ্যৎ মনিটরিং ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে।

এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় শূন্যপদে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মাঠপর্যায়ে তদারকি ও জবাবদিহি আরও শক্তিশালী হয়।

প্রাথমিক শিক্ষার সংজ্ঞা ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব

প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা শুধু সরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একটি শিশুর প্রাথমিক ১০ বছর বয়স পর্যন্ত যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাওয়ার কথা, সেটিই মূলত প্রাথমিক শিক্ষা। সেই শিক্ষা সরকারি, বেসরকারি কিংবা ইংরেজি মাধ্যম — যেখানেই দেওয়া হোক না কেন, শিক্ষার মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

নতুন নীতিমালার আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবকাঠামো, শ্রেণিকক্ষের আয়তন, খেলার জায়গা, শিক্ষার পরিবেশ, পাঠ্যবই ও কারিকুলাম অনুসরণ, শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণসহ শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।

কর্মশালার আয়োজন ও উপস্থিতি

উল্লেখ্য, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রশাসনে সুশাসন, জবাবদিহি ও কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে নিজেই বিভাগে বিভাগে প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের প্রস্তুত করাই এ প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।

প্রাথমিক শিক্ষা, চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম এবং চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা।

Frequently Asked Questions

What is ই র জ ম ধ যমসহ?

ই র জ ম ধ যমসহ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ই র জ ম ধ যমসহ matter?

ই র জ ম ধ যমসহ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment