Uncategorized

সরকার আরও ভালো আইনের কথা বলে উল্টো পথে পা বাড়িয়েছে

সরক র আরও ভ ল আইন র - ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে মঙ্গলবার একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শিরোনাম ছিল 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ

Desk Uncategorized
Published August 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
NCP
Foto : Linda Anderson - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার খসড়া আইনে স্বাধীন তদন্তের প্রশ্ন: ডিআরইউ-তে গোলটেবিল
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার খসড়া আইনে স্বাধীন তদন্তের প্রশ্ন: ডিআরইউ-তে গোলটেবিল

Banglaprabah.com – সরক র আরও ভ ল আইন র – ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে মঙ্গলবার একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শিরোনাম ছিল ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ খসড়া আইন, ২০২৬: আইনি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ’। এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি এই আলোচনার আয়োজক ছিল। বক্তারা একমতভাবে দাবি করেন, নতুন খসড়া আইন মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা সংকুচিত করছে এবং গুম-অভিযোগের তদন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের পথে বাধা সৃষ্টি করবে।

সরকারের পদক্ষেপে উদ্বেগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সরকার আরও উন্নত আইন প্রণয়নের প্রত্যাশা তৈরি করে আগের মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। তবে নতুন খসড়ায় কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত সেই বাহিনীর হাতে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধেই সেই অভিযোগ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি মিথ্যা অভিযোগে পাঁচ বছর শাস্তির বিধান ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয় দেখাতে পারে।

জুলাইয়ের পর প্রত্যাশা ও বাস্তবতা

আলোকচিত্রী, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম মন্তব্য করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি ভিন্ন বাংলাদেশ গড়ার আশা জেগেছিল। নতুন সরকারকে সেই আশা বাস্তবে রূপ দিতে হবে। কমিশনার নিয়োগে স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা তার মতে অপরিহার্য।

রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও প্রতিষ্ঠান-স্বাধীনতা

আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ বন্ধ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু দল বা নেতৃত্ব পরিবর্তন করলে যথেষ্ট নয়; রাজনৈতিক দলগুলোর পুরোনো সংস্কৃতি বদলাতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক করতে হবে। পুলিশ কমিশনসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি।

তদন্তের দায়িত্ব কার হাতে?

এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপপ্রধান সারোয়ার তুষার বলেন, গুম হয়েছে কি না তা নির্ধারণের দায়িত্ব পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে দেওয়া যৌক্তিক নয়, কারণ অভিযোগের সঙ্গে তাদেরই সম্পৃক্ততার প্রশ্ন থাকতে পারে। মিথ্যা অভিযোগে পাঁচ বছর শাস্তির বিধান ভুক্তভোগী পরিবারকে চাপে ফেলবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কমিশনার নিয়োগে ঐকমত্যের দাবি

গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর মতে, কমিশনের সদস্য বাছাইয়ে সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রাধান্য থাকলে কমিশনের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে হবে। আইন পাসের আগে নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে চাপ তৈরি করাও জরুরি বলে তিনি দাবি করেন।

ন্যাযবিচার ও জনসচেতনতা

মানবাধিকারকর্মী রুবি আমাতুল্লাহ বলেন, মানবাধিকার নিশ্চিত না হলে ন্যাযবিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। জুলাইয়ের পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। শুধু আইন করে যথেষ্ট নয়; রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং জনগণকে সচেতন ও সোচ্চার রাখতে হবে।

মূল প্রবন্ধ ও অন্যান্য বক্তব্য

বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুমসংক্রিত কমিশন অব ইনকোয়ারির সাবেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস। তিনি বলেন, নতুন আইনি কাঠামোতে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীন তদন্তের সুযোগ কমানো হচ্ছে। তদন্তের স্বাধীনতা খর্ব না করে সংবেদনশীল অভিযানের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ও আইনি ব্যবস্থা করা উচিত।

এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হুসাইনের সঞ্চালনায় বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য তানিম হোসেন শাওন, এবং সাবেক সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য শরীফ ভূঁইয়া। সকল বক্তা মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনে স্বাধীন তদন্ত, জবাবদিহি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

Frequently Asked Questions

What is সরক র আরও ভ ল আইন র?

সরক র আরও ভ ল আইন র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does সরক র আরও ভ ল আইন র matter?

সরক র আরও ভ ল আইন র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment