‘সামিদের কপালে গুলি লেগে মাথার পেছন দিক দিয়ে বের হয়ে যায়’
স ম দ র কপ ল গ - জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসংবন্ধিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সোমবার সাক্ষ্য দেন মো. আব্দুল নাসির উদ্দিন।
Table of Contents
ট্রাইব্যুনালে সামিদের হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য
আসামি ও মামলার প্রেক্ষাপট
Banglaprabah.com – স ম দ র কপ ল গ – জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসংবন্ধিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সোমবার সাক্ষ্য দেন মো. আব্দুল নাসির উদ্দিন। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ ও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলকের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের। এদিন ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি জুনাইদ আহ্মেদ পলক; অন্য আসামি সজীব ওয়াজেদ পলাতক অবস্থায় আছেন।
সাক্ষীর পরিচয় ও ঘটনার দিন
নরসিংদী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন। তাঁর বন্ধু ছিলেন নিহত সামিদ, যার বাসামুন্সiganjের মুক্তাগাছা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ১২টায় টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকা থেকে ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বের হন নাসির উদ্দিনসহ চার-পাঁচজন। বেলা দুইটার দিকে উত্তরার বিএনএস সেন্টার এলাকায় পৌঁছান তাঁরা।
এলোপাতা গুলি ও ছত্রভঙ্গ
আজ্ঞাত সময় উত্তরা পূর্ব থানার দিক থেকে পুলিশ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা এলোপাতা গুলি শুরু করেন। গুলিবর্ষণের পর দল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। সামিদকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না। বারবার তাঁর ফোনে কল করা হলেও রিসিভ হয়নি।
“গুলি শুরুর পর তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। তখন থেকে সামিদকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না।”
হাসপাতালে রক্তাক্ত শরীর
বিকেল পাঁচটার দিকে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে নাসির উদ্দিনের কাছে ফোন আসে। অপর প্রান্তে জানানো হয়, সামিদ উত্তরা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আছেন এবং সেখানে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। খোঁজাখুঁজির পর নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সামিদকে দেখতে পান তিনি।
“সামিদের কপালে গুলি লেগে মাথার পেছন দিক দিয়ে বের হয়ে গিয়েছিল।”
রক্তাক্ত অবস্থায় বন্ধুকে দেখে নাসির উদ্দিন সামিদের বাবাকে ফোন করেন। তখন বাবা উত্তরার বিজয় মিছিলে ছিলেন। খবর পৌঁছানোর কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই হাসপাতালে ছুটে আসেন তিনি। দেখেন, ছেলে আর বেঁচে নেই।
ইন্টারনেট বন্ধের অভিযোগ ও শাস্তির দাবি
জবানবন্দিতে নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদের নির্দেশে পলক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল—হত্যাকাণ্ড ও গুমের খবর বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছাতে দেওয়া না এবং আন্দোলনকারীদের পারস্পরিক যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করা। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is স ম দ র কপ ল গ?
স ম দ র কপ ল গ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does স ম দ র কপ ল গ matter?
স ম দ র কপ ল গ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
