৫ মাসে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৯০০ ছাড়াল
৫ ম স হ ম ও হ - গত পাঁচ মাসে দেশে হাম ও হামের লক্ষণজনিত কারণে মোট ৯০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
Table of Contents
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে
Banglaprabah.com – ৫ ম স হ ম ও হ – গত পাঁচ মাসে দেশে হাম ও হামের লক্ষণজনিত কারণে মোট ৯০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই পরিসংখ্যানটি সংগ্রহ করা হয়েছে। এই সময়ে হামের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চিন্তার বিষয়।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি
শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে দেশে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই একই সময়ে হামের লক্ষণ দেখা দিয়েছে ৭২৮ জনের মধ্যে। পাশাপাশি ৭০ জনের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যুর হারের বিষয়ে বলা যায়, ঢাকায় ৬ জন এবং সিলেটে ২ জন মারা গেছেন।
পাঁচ মাসের সামগ্রিক পরিসংখ্যান
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৮০৩ জন। অন্যদিকে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৯ জনের। এভাবে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০২ জনে। আক্রান্তদের সংখ্যার ক্ষেত্রে, হামের লক্ষণে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ জন। নিশ্চিত হামের ক্ষেত্রে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৮০০ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৭৬ জন।
হামে মারা যাওয়া ৫১% শিশুর টিকার বয়স হয়নি।
চিকিৎসা ও সুস্থতার পরিসংখ্যান
এই সময়ে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন সুস্থ হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০০ জন। পাশাপাশি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪৯ জন রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
হাম প্রতিরোধে করণীয়
হাম প্রতিরোধে টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী, হামের টিকা ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকর। শিশুদের ১২ থেকে ১৫ মাস বয়সে প্রথম টিকা এবং ৪ থেকে ৬ বছর বয়সে দ্বিতীয় টিকা দেওয়া উচিত। টিকার বয়স না হওয়া শিশুদের মধ্যে হামের ঝুঁকি বেশি থাকে।
হাম সংক্রমণ রোধে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। হাত ধোয়া, মুখ ঢেকে থাকা এবং সংক্রমিত ব্যক্তিদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো উচিত। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের আলাদা ওয়ার্ডে রাখা হয় যাতে সংক্রমণ ছড়ায় না।
প্রশ্নোত্তর
হামের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী? হামের প্রধান লক্ষণ হলো জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লাল দাগ দেখা দেওয়া। এই লক্ষণগুলো সাধারণত সংক্রমণের ১০ থেকে ১৪ দিন পর দেখা দেয়।
হাম কতদিন পর্যন্ত সংক্রামক থাকে? হাম রোগী সংক্রমণের ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত সংক্রামক থাকে। এই সময়ে রোগীর সাথে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো উচিত।
হাম প্রতিরোধে টিকার গুরুত্ব কতটুকু? টিকাদান হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। দুই ডোজ টিকা নেওয়া শিশুদের হাম হওয়ার ঝুঁকি ৯৭ শতাংশ কমিয়ে আনে।
হাম হলে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে? হাম হলে রোগীকে ঘরে বিশ্রাম নিতে হবে, পর্যাপ্ত তরল পদার্থ খেতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে। জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ৫ ম স হ ম ও হ?
৫ ম স হ ম ও হ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ৫ ম স হ ম ও হ matter?
৫ ম স হ ম ও হ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
