Uncategorized

সামিট পুরোদমে ও এক্সিলারেট আংশিক চালু, বেড়েছে গ্যাসের সরবরাহ

স ম ট প র দম ও - শনিবার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহে কিছুটা উন্নতি ঘটতে পারে। টানা পঁচিশ দিন ধরে দেশে যে তীব্র গ্যাস সংকট চলছিল, তার কিছুটা সমাধান

Desk Uncategorized
Published August 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
gas-1
Foto : Jessica Brown - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. সামিট ও এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, গ্যাস সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

সামিট ও এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, গ্যাস সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি

Banglaprabah.com – স ম ট প র দম ও – শনিবার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহে কিছুটা উন্নতি ঘটতে পারে। টানা পঁচিশ দিন ধরে দেশে যে তীব্র গ্যাস সংকট চলছিল, তার কিছুটা সমাধান আসছে। সামিট এনার্জির টার্মিনাল পুরোদমে এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল আংশিকভাবে চালু হয়েছে। এর ফলে ভোর থেকেই গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পুরোপুরি সংকট কাটতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

টার্মিনালগুলোর বর্তমান অবস্থা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট। অন্যদিকে, দেশি কোম্পানি সামিটের টার্মিনালের ক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট। আজ ভোর চারটায় সামিটের টার্মিনাল থেকে ৪৬ কোটি ঘনফুট এবং এক্সিলারেট থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে জানান, দুটি টার্মিনাল থেকেই এখন গ্যাস আসছে। সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে, আর এক্সিলারেট আংশিক সরবরাহ করছে। সরবরাহ বাড়ায় গ্রাহকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

এক্সিলারেট টার্মিনালের আগুনের পরিস্থিতি

গত ২১ জুলাই এক্সিলারেটের টার্মিনালে অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে যায় এবং সংকট তীব্র হয়। রান্নার চুলা থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে লোডশেডিং বাড়ে। যানবাহনে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন পেতে দীর্ঘ সারি পড়ে ফিলিং স্টেশনে।

পেট্রোবাংলার সূত্র জানায়, এক্সিলারেটের টার্মিনালে দুটি বয়লার রয়েছে। প্রতিটি বয়লারের ক্ষমতা ৩০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে একটি বয়লার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অক্ষত বয়লারটি থেকে ৬ আগস্ট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। গতকাল শুক্রবার বিকেল চারটায় কারিগরি ত্রুটির কারণে হঠাৎ করে এক্সিলারেট থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি মেরামতের পর ওই বয়লার থেকে আবার সরবরাহ শুরু হয়েছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এটি চালু করতে কাজ চলছে। চালু করার আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। এতে ৭২ ঘণ্টা পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ থাকবে এক্সিলারেটের। কবে এটি করা হবে, নিয়ে আলোচনা চলছে। এখনো নির্দিষ্ট করে কোনো সময় ঠিক করা হয়নি। আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।

সামিট টার্মিনালের সরবরাহ ইতিহাস

এলএনজি না পেয়ে গত সোমবার সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমানো হয়। মঙ্গলবার এটি ২০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। বুধবার থেকে গত বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ১০ কোটি ঘনফুট করে সরবরাহ করা হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভিটলের একটি জাহাজ বঙ্গোপসাগরে আসে। এটি থেকে সন্ধ্যা সাতটায় সামিটের টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়। খালাসে আট ঘণ্টার মতো সময় লাগে। তার আগে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে টার্মিনালের জমানো মজুত থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে সামিট। শুরুতে সাড়ে ৯ কোটি ঘনফুট করে সরবরাহ করা হয়। ভোররাতে এটি ৪৬ কোটি ঘনফুটে পৌঁছায়। আরও ৭-৮ কোটি ঘনফুট সরবরাহ বাড়াতে পারে তারা।

সৌদি আরামকোর জাহাজ ফেরত পাঠানো

বঙ্গোপসাগরে আসা সৌদি আরামকোর এলএনজি জাহাজটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত এলএনজি নিয়ে যেসব জাহাজ আসে, সৌদি আরামকোর পাঠানো আগের জাহাজটি তেমন ছিল না। জাহাজ থেকে জাহাজে এলএনজি স্থানান্তরের সামঞ্জস্য থাকতে হয়, যেটি সৌদি আরামকোর পাঠানো এলএনজি জাহাজের ছিল না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। তাই এটি নিয়ে টার্মিনাল থেকে আগেই আপত্তি দেওয়া হলেও আরামকো সেটি পাঠিয়েছে।

কয়েক দিন এটি সাগরে অপেক্ষা করলেও ওই জাহাজ থেকে এলএনজি নেওয়া যায়নি। পেট্রোবাংলার দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, সমুদ্রে কিছুটা বৈরী আবহাওয়ার কারণে আরামকোর জাহাজটি থেকে এলএনজি নেওয়া যায়নি। সমুদ্র শান্ত থাকলে হয়তো ওই জাহাজ থেকে এলএনজি নেওয়া যেত। জাহাজটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরামকোর বদলে আরেকটি এলএনজি জাহাজ পাঠাবে। ভিটল এশিয়ার নতুন জাহাজটি থেকে এলএনজি নিতে কোনো অসুবিধা হয়নি। এসব জাহাজ থেকে নিয়মিত এলএনজি নিতে অভ্যস্ত মহেশখালীর দুই টার্মিনাল।

গ্যাস সরবরাহ পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি

দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। ৩০০ কোটি ঘনফুট হলেও মোটামুটি সব খাতে সরবরাহ ধরে রাখা যায়। যদিও স্বাভাবিক সময়ে ২৭০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত সরবরাহ করে রেশনিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। এক্সিলারেট বন্ধের আগে এ হারে সরবরাহ করা হচ্ছিল।

গতকাল বিকেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল। এখন এটি বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখনো দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে সেই ঘাটতি পূরণ হতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও এর কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান নেই। প্রকৃতির ওপর ভরসা করতে হচ্ছে সরকারকে। বৃষ্টি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন মিলে দুই দিন ধরে বিদ্যুতের চাহিদা কমেছে। এতে কমেছে লোডশেডিংয়ের মাত্রা। গরম বাড়লে আবার বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, বাড়াতে পারে লোডশেডিং।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, দুটো টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে এখন। সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় আর এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক সরবরাহ করছে। সরবরাহ বাড়ায় গ্রাহকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

এলএনজি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, আজ ভোর চারটায় সামিটের টার্মিনাল থেকে ৪৬ কোটি ঘনফুট ও এক্সিলারেট থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট করে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে।

Frequently Asked Questions

What is স ম ট প র দম ও?

স ম ট প র দম ও is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does স ম ট প র দম ও matter?

স ম ট প র দম ও matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment