Uncategorized

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় সরকার কি পেছন দিকে হাঁটছে

ব সরক র শ ক ষ প - সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও আলোচনার প্রেক্ষাপটে একটি প্রশ্ন উঠেছে—বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ব্যবস্থা কি আবার পেছনের দিকে হাঁটছে। কর্মচারী

Desk Uncategorized
Published August 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
WhatsApp_Image_2023_09_18_at_12_32_21
Foto : Elizabeth Smith - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ব্যবস্থায় পিছিয়ে যাচ্ছে কি সরকার?
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ব্যবস্থায় পিছিয়ে যাচ্ছে কি সরকার?

Banglaprabah.com – ব সরক র শ ক ষ প – সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও আলোচনার প্রেক্ষাপটে একটি প্রশ্ন উঠেছে—বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ব্যবস্থা কি আবার পেছনের দিকে হাঁটছে। কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা ইতিমধ্যে পরিচালনা কমিটির হাতে ফিরে এসেছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা প্রায় চার মাস আগে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু এখনো মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এর মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর কাছ থেকে পরিচালনা কমিটির হাতে দেওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থায় সমস্যা থাকলে তা সংস্কার করে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করা যায়। কিন্তু পুরোনো ব্যবস্থা ফিরলে স্থানীয় প্রভাব, দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের সুযোগ আবার বাড়তে পারে। এনটিআরসিএর বর্তমান ব্যবস্থায় যে সীমাবদ্ধতা আছে, তা দূর করে নিয়োগপ্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করা উচিত। কোনোভাবেই পেছনে ফিরে যাওয়া উচিত নয়।

পরিচালনা কমিটিতে দলীয় ছাড়া, নানা অভিযোগ

এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আলোচনার পেছনে রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক একটি সভা। ৩ আগস্টের এই সভায় এনটিআরসিএকে শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজে রাখার এবং নিয়োগের সুপারিশ না করার বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে এ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ১০ আগস্ট রাতে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

পরে ঢাকার এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ-সংক্রান্ত একটি অসম্পূর্ণ খসড়া ফেসবুক বা সংবাদমাধ্যমে দেখে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিকে ‘অনভিপ্রেত’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য পদে নিয়োগের ক্ষমতা আবার পরিচালনা কমিটির হাতে

গত বছরের সেপ্টেম্বরে এসব পদে নিয়োগের ক্ষমতা পরিচালনা কমিটির কাছ থেকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটির হাতে দেওয়া হয়েছিল। এই কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও নিয়োগের জন্য সুপারিশের ব্যবস্থা ছিল। এখানে পরিচালনা কমিটির কাউকে রাখার সুযোগ ছিল না। কিন্তু গত ২১ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্তে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা পরিপত্র বাতিল করা হয়। আর পুনর্বহাল করা হয় ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারির নির্দেশনার সংশ্লিষ্ট অংশ।

ফলে ট্রেড সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর, গবেষণা বা ল্যাব সহকারী, অফিস সহায়ক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী, নৈশপ্রহরী, আয়াসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের দায়িত্ব আবার পরিচালনা কমিটির হাতে গেছে। অতীতে এসব পদে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ছিল। এখন কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা পরিচালনা কমিটির হাতে ফেরার পর নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা-জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষক নিয়োগে নতুন উদ্যোগ ও দীর্ঘসূত্রতা

বর্তমানে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ হয় এনটিআরসিএর পরীক্ষা ও সুপারিশের ভিত্তিতে। আর অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক-সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে হয়ে আসছিল। আগে এসব নিয়োগের অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ছিল। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় নিয়মবহির্ভূতভাবে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের এই টাকা দিতে হতো বলে গবেষণায় উঠে এসেছিল।

নানা অভিযোগের পর প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান পদেও এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই লক্ষ্যে গত ১৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের পরীক্ষা হয়। ১১ হাজার ১৫১টি শূন্য পদের বিপরীতে ৫৩ হাজার ৬৯ জন আবেদন করেছিলেন। ২২ এপ্রিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৯৪২ জন উত্তীর্ণ হন।

লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা হবে। কিন্তু লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রায় চার মাস পরও তা হয়নি। এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা গত মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘মৌখিক পরীক্ষার তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’ এবারই প্রথম বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান পদগুলো (প্রধান ও সহকারী প্রধান) এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হলো। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে যোগ্য ব্যক্তিদের আনা। কিন্তু এখন পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা না হওয়ার নতুন ব্যবস্থাও দীর্ঘসূত্রতার বিষয়টি সামনে এসেছে।

ময়মনসিংহের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধান শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দ্রুত মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করার কথা। কিন্তু কয়েক মাস পারিও গেলেও মৌখিক পরীক্ষা হয়নি।

এর মধ্যে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের নিয়ম ফিরিয়ে আনা হলো। আবার শিক্ষক নিয়োগ কমিটির হাতে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ফলে প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ নিয়ে সন্দেহ-সন্দিহান তৈরি হয়েছে। প্রধান ও সহকারী প্রধানসহ শিক্ষক নিয়োগ আবার কমিটির হাতে ফিরলে তা হবে

Frequently Asked Questions

What is ব সরক র শ ক ষ প?

ব সরক র শ ক ষ প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ব সরক র শ ক ষ প matter?

ব সরক র শ ক ষ প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment