Uncategorized

মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ

ম নব ধ ক র কম শন - জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইনের খসড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। বিএনপি

Desk Uncategorized
Published August 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
TIB
Foto : Mark Gonzalez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. টিআইবি'র উদ্বেগ: মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

টিআইবি’র উদ্বেগ: মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া

Banglaprabah.com – ম নব ধ ক র কম শন – জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইনের খসড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিপরিষদে এই দুটি আইনের খসড়া অনুমোদিত হওয়ার পর সংস্থাটি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের মতামত তুলে ধরে। যদিও খসড়ায় বেশ কিছু ইতিবাচক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তবুও অংশীজনদের পক্ষ থেকে সতর্ক করা যেসব বিধান কমিশনের স্বাধীন ও কার্যকর দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করবে, সেগুলো বহাল রাখা হয়েছে।

স্বাধীনতায় সন্দেহ ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ

খসড়া আইনে কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ উল্লেখ করা হলেও, প্রতিষ্ঠানটি কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাভুক্ত হবে না—এই বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়নি বলে টিআইবি মনে করে। ঢাকার বাইরে কার্যালয় স্থাপন ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কাঠামো নির্ধারণে সরকারের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়াও, ৩০ শতাংশ পর্যন্ত প্রেষণে সরকারি কর্মচারী নিয়োগের বিধান এবং বিশেষ করে সরকারি কর্মচারী হিসেবে কর্মরত অবস্থায় প্রেষণে কমিশনার হিসেবে নিয়োগের বিধান মানবাধিকার কমিশনকে কার্যত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবে।

নিয়োগ বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে স্পিকার, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারদলীয় একজন এমপি এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে রাখা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এর বাইরে অন্য যে তিনজন সদস্য রাখার বিধান করা হয়েছে, বাস্তবে তাদের মধ্যে অন্তত দুজনের মনোনয়নও সরকারের হাতে রাখার ফলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিয়োগে সরকারের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য নিশ্চিতের মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিনিধিত্ব ও বৈষম্য

কমিশনের পাঁচজন সদস্যের মধ্যে একজন নারী সদস্য রাখা এবং বাছাই কমিটিতে নারী প্রতিনিধিত্বের কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি, যা পুরুষতান্ত্রিক ও বৈষম্যমূলক। একইভাবে কমিশনে সংখ্যালঘু ও অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিতেও বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায় শৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে সংজ্ঞায়িত সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে। অথচ মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদিত মানবাধিকার কমিশন আইনে ২০০৯ সালের আইনের ১৮ ধারা হুবহু প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে শৃঙ্খলা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কমিশনকে সরকার বা বাহিনীর প্রধানের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরশীল করা হয়েছে।

গুম প্রতিরোধ আইনে দুর্বলতা

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া প্রসঙ্গে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘গুমের মতো একটি স্পর্শকাতর ও নির্দয় মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় তদন্তের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকার কমিশনের আওতাভির্ভূত রেখে এককভাবে পুলিশের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। অথচ সরকার ও আমলাতন্ত্র খুব ভালো করেই জানে, গুমের অধিকাংশ ঘটনার যাদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা শৃঙ্খলা বাহিনীরই সদস্য।’ এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুমের ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগের ক্ষেত্রে অধস্তন একজন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ‘অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন’ প্রস্তুত ও দাখিল করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি অধস্তনের এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সন্তোষজনক কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া না গেলে এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিকে কার্যধারা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন—এমন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

অন্যান্য উদ্বেগজনক বিষয়

বর্তমান সরকারের সময়ে প্রণীত প্রথম খসড়া মানবাধিকার কমিশন আইনে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনে অজুহাত অগ্রহণযোগ্য’ শীর্ষক একটি বিধান মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদিত খসড়া থেকে বাদ দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেছেন, যেসব স্থানে ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ বা সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, সেসব স্থান নিয়মিত এবং পূর্বঘোষণা ছাড়া পরিদর্শনে কমিশনের দায়িত্ব ও এখতিয়ার থেকে ‘সামরিক আটক কেন্দ্র’ বাদ দেওয়া হয়েছে। এর কারণ জানতে চেয়ে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, তাহলে আয়নাঘর বহাল রাখার ক্ষেত্রে সরকারের সমর্থন রয়েছে, এমনটি ধরে নিতে হবে কি না।

অনুমোদিত খসড়ায় গুমের সংজ্ঞায় জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী বা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১০ আগস্ট সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইন দুটির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন। এই দুটি আইনের খসড়ার পতিত কর্তৃত্ববাদী শাসনামলের গুম-খুনসহ বর্বরোচিত ও বহুমুখী মানবাধিকার লঙ্ঘনের করুণ অভিজ্ঞতা থেকে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল এ ক্ষেত্রে মৌলিক বিষয়গুলোতে বাস্তবে কী শিক্ষা গ্রহণ করল, এমন প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি।

Frequently Asked Questions

What is ম নব ধ ক র কম শন?

ম নব ধ ক র কম শন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম নব ধ ক র কম শন matter?

ম নব ধ ক র কম শন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment