কীর্তনখোলায় নৌবিহারে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ঘুরে দেখলেন ঐতিহাসিক নানা স্থাপনা
ক র তনখ ল য় ন ব - বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বরিশালের ঐতিহাসিক স্থানগুলো দেখে অভিভূত হয়েছেন। দুই দিনের সফরকালে তিনি কীর্তনখোলা
Table of Contents
মার্কিন রাষ্ট্রদূত কীর্তনখোলা নদীতে নৌবিহারে মুগ্ধ
Banglaprabah.com – ক র তনখ ল য় ন ব – বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বরিশালের ঐতিহাসিক স্থানগুলো দেখে অভিভূত হয়েছেন। দুই দিনের সফরকালে তিনি কীর্তনখোলা নদীতে নৌবিহারে অংশ নেন এবং ‘বাংলার ভেনিস’ নামে পরিচিত এই শহরের নদী-খাল, ভাসমান বাজার ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করে তাঁর মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
নৌবিহারে কীর্তনখোলা নদীর সৌন্দর্য
রোববার দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রদূত ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কীর্তনখোলা নদীতে নৌবিহারে যোগ দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাঁরা এমভি এম খান নামের বিলাসবহুল লঞ্চে কীর্তনখোলা ও সুগন্ধা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করেন। নৌযানেই তাঁরা মধ্যাহ্নভোজ গ্রহণ করেন। এই সময় বরিশালে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলার ভেনিসে এসে আমি সত্যিই মুগ্ধ ও অভিভূত। চারদিকে নদী-খাল, নৌকার চলাচল আর পানির সঙ্গে মানুষের এমন নিবিড় জীবনযাপন বরিশালকে অন্য রকম সৌন্দর্য দিয়েছে।
নৌবিহারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আরও বলেন, সকালে ভাসমান বাজারে গিয়ে নৌকায় ঘুরেছি। নদীর ওপর এমন প্রাণবন্ত বাজারের অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য সত্যিই অসাধারণ। বরিশালের এই সৌন্দর্য ও জীবনযাত্রা তাঁকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে।
ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন
ঢাকা থেকে লঞ্চে করে বরিশালে আসার পর আজ সকালে প্রথমে ঝালকাঠির ভীমরুলীর ভাসমান পেঁয়াজবাজার ও পেঁয়াজবাগান ঘুরে দেখেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডিঅ্যান ডাও। পরে দুপুরে বরিশালে ফিরে সদর উপজেলার কদাপুরের ঐতিহাসিক মিরাবাদি মসজিদ পরিদর্শন করেন তিনি। ১৮ শতকে নির্মিত মসজিদটির স্থাপত্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখে তিনি মুগ্ধ হন।
বরিশাল বন্দরের ইতিহাস শুনলেন রাষ্ট্রদূত
নৌবিহারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বরিশাল বন্দরের ইতিহাসও তাঁকে জানানো হয়। বলা হয়, মোগল আমলে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান বরিশাল বন্দরের নাম ছিল ‘গিরি-ই-বন্দর’। তখন এ নদীবন্দর দিয়ে লবণ, মসলা ও কাঠের ব্যবসা হতো। পরে ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৭৬ সালে এটি বরিশাল বন্দরে রূপান্তরিত হয়। বন্দরের ইতিহাস শুনে রাষ্ট্রদূত আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বন্দরে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন।
শুভেচ্ছা ও স্মারক উপহার
এ সময় বরিশাল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তাঁর স্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে তাঁদের হাতে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্পের একটি স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
নৌবিহারে অংশ নেওয়া তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধু এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দেশটি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সেই দেশের রাষ্ট্রদূত বরিশাল সফরে এসেছেন। আশা করছেন, এ সফরের মাধ্যমে তিনি বরিশাল তথা বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করবেন।
ফলাফল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
তথ্যমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বরিশালের গৌরনদীতে ক্যাথলিক চার্চে যাওয়ার কথা আছে। সেখানে তিনি আন্তধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পরে দুপুরে তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেওয়ার পর তিনি বরিশাল ত্যাগ করবেন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
কীর্তনখোলা নদী কোথায় অবস্থিত? কীর্তনখোলা নদী বরিশাল বিভাগে অবস্থিত এবং এটি বরিশাল শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত কতদিনের সফরে বরিশালে এসেছেন? মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন দুই দিনের সফরে বরিশালে এসেছেন।
নৌবিহারে কোন লঞ্চে রাষ্ট্রদূত অংশ নেন? রাষ্ট্রদূত এমভি এম খান নামের বিলাসবহুল লঞ্চে নৌবিহারে অংশ নেন।
বরিশাল বন্দর কখন প্রতিষ্ঠিত হয়? বরিশাল বন্দর মোগল আমলে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৭৬ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে এটি বরিশাল বন্দরে রূপান্তরিত হয়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ক র তনখ ল য় ন ব?
ক র তনখ ল য় ন ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ক র তনখ ল য় ন ব matter?
ক র তনখ ল য় ন ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
