Uncategorized

পদ অফিস সহকারীর, চার বছর ধরে দেখেন এইচএসসির খাতা

পদ অফ স সহক র র চ - শিবগঞ্জের গ্রিনহিল স্টেট কলেজের অফিস সহকারী জ্যোতি দত্ত। তিনি পরিচয় দেন প্রভাষক হিসেবে। কিন্তু বৈধ পরীক্ষকের যোগ্যতা না থাকলেও পাবলিক

Desk Uncategorized
Published August 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : William Jones - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. যোগ্যতাহীন অফিস সহকারী চার বছর ধরে এইচএসসি পরীক্ষক
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

যোগ্যতাহীন অফিস সহকারী চার বছর ধরে এইচএসসি পরীক্ষক

Banglaprabah.com – পদ অফ স সহক র র চ – শিবগঞ্জের গ্রিনহিল স্টেট কলেজের অফিস সহকারী জ্যোতি দত্ত। তিনি পরিচয় দেন প্রভাষক হিসেবে। কিন্তু বৈধ পরীক্ষকের যোগ্যতা না থাকলেও পাবলিক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছেন তিনি। এই বিষয়টি ধরতে পেরে এখন ব্যবস্থা নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ড।

চলতি বছর চতুর্থবারের মতো উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন জ্যোতি দত্ত। বাংলা প্রথম পত্রের ৫৫৪ জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে জমা দিয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার তাঁকে পরীক্ষক হিসেবে সুপারিশ করার জন্য কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিচ্ছে বোর্ড।

পরীক্ষক হতে শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করতে হয়। এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে তা গুরুতর অপরাধ।

— মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, চেয়ারম্যান, সিলেট শিক্ষা বোর্ড

গতকাল শেষ কর্মদিবস ছিল মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর। তিনি প্রথম আলোকে এই মন্তব্য করেছেন।

২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রিনহিল স্টেট কলেজে ২০১১ সালে পাঠদান শুরু হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই জ্যোতি দত্ত অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত। সিলেটের মুরারিচাঁদ কলেজ থেকে স্নাতক পাস কোর্স শেষ করে ২০১৯ সালে বাংলা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় বলা আছে, যে শিক্ষক যে বিষয়ে পাঠদান করেন, কেবল সেই বিষয়েই পরীক্ষক হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কলেজ পর্যায়ে পরীক্ষক হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

কলেজটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জ্যোতি দত্ত অফিস সহকারী পদেই আছেন। তিনি পাস কোর্সে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। অর্থাৎ নিয়ম অনুযায়ী প্রভাষক হওয়ারও সুযোগ নেই তাঁর।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জ্যোতি দত্ত প্রথম আলোকে বলেন, কলেজের শুরু থেকেই আছেন তিনি। ২০১৯ সালে বাংলা স্নাতকোত্তর পাস করার পর কলেজে শিক্ষক প্রয়োজন হলে তিনি বাংলা বিষয়ে পড়ানো শুরু করেন।

প্রভাষক হিসেবে নিয়োগপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিয়োগপত্র কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে রাখা ছিল। তিনি মারা যাওয়ার এখন খুঁজে দেখতে হবে, কোথায় নিয়োগপত্রটি আছে। এর বাইরে তাঁর কাছে ওই নিয়োগপত্রের কোনো অনুলিপি সংরক্ষিত নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।

শিক্ষক হিসেবে জ্যোতি দত্তের নিয়োগপত্রের অনুলিপি নিজের কাছে নেই বলে জানান কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মন। এটি কলেজ পরিচালনা পর্ষদের কাছে আছে বলে জানান তিনি। তবে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী জানান, তাঁর কাছে নেই। এটি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে।

যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও জ্যোতি দত্ত কীভাবে পরীক্ষক হলেন—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কলেজসংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে প্রথম আলো। তাঁরা জানান, বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী জ্যোতি দত্ত অনলাইনে আবেদন করেন এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ সেটি অনুমোদন দিয়ে বোর্ডে পাঠায়। কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৃত তথ্য গোপন করে তাঁকে পরীক্ষক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষকের আবেদন অনুমোদনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মন বলেন, তিনি কোনো অনুমোদন দেননি। এটি করেছেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী। আর দিগ্বিজয় চক্রবর্তী বলেন, অনুমোদন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষই দিয়েছেন।

Frequently Asked Questions

What is পদ অফ স সহক র র চ?

পদ অফ স সহক র র চ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does পদ অফ স সহক র র চ matter?

পদ অফ স সহক র র চ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment