পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজার সংস্কৃতি চালু হলো, সিপিএম ধর্মকর্ম এড়াতে চায় না
পশ চ মবঙ গ চ ল হল – পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুলডোজার সংস্কৃতি চালু করেছেন। এই পদ্ধতি নেতৃত্বে প্রাকৃতিক পরিবেশে সামনে এগিয়েছে অবৈধ কারখানা নষ্ট করার জন্য। এ নীতি চালু করেছেন শুভেন্দু যাতে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হয়। নির্বাচনের পর এই সংস্কৃতি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে।
ধর্মকর্ম ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে সিপিএম আলোচনা করছে
পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজার সংস্কৃতি চালু হওয়ার পর সিপিএম নেতারা ধর্মকর্ম সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেন। তাঁদের মতে সাম্প্রদায়িকতার সম্প্রসারণে ধর্মাচরণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কলকাতার উপকণ্ঠে অবৈধ চামড়ার কারখানা ভেঙে দেয়ার পর ধর্মকর্মের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়। প্রসঙ্গত তাঁরা স্পষ্ট করে বলেছেন যে ধর্মাচরণকে আলাদা করে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজার সংস্কৃতি চালু হওয়া পর সিপিএম নেতারা বিজেপি সরকারের সাথে মুখোমুখি হয়েছেন। ধর্মকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই চালানো হচ্ছে তবে সাম্প্রদায়িকতা নির্মূলের জন্য ধর্মাচরণকে বৃত্তিগ্রহণ করার প্রয়োজন রয়েছে।
বিজেপি কর্তৃক চালু করা হয়েছে সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা
পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজার সংস্কৃতি চালু হওয়ার পর বিজেপি প্রশাসন এটি নতুন সংস্কৃতি হিসাবে প্রচার করেছে। কলকাতার প্রতিটি ক্ষেত্রে সরাসরি কার্যনিরত হয়েছে সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা। এর ফলে পূর্বে গড়িয়া মিতালী সংঘের খেলার মাঠে অবৈধ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করেছিলেন তৃণমূল নেতা সাদ্দাম হোসেন। কলকাতা হাইকোর্টের আদেশ অনুসারে এই অবৈধ নির্মাণ কাটিয়ে দেয়া হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজার সংস্কৃতি চালু হওয়ার পর সিপিএম নেতাদের মতে ধর্মাচরণকে সম্পৃক্ত করে সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁদের মতে ধর্মকর্ম সংক্রান্ত বিষয়ে সুষ্ট পরিচালনা করতে হবে। এই সংস্কৃতি চালু করেছেন তিনি যাতে সাম্প্রদায়িক বিবাদে তৈরি করা হয়েছে আঘাত কমানোর উদ্দেশ্যে।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজার সংস্কৃতি একটি নতুন রূপ পেয়েছে। কলকাতার আশেপাশে অবৈধ দোকানগুলো ভেঙে ফেলার ফলে ধর্মাচর
