সেই পাঁচ শিশুর দুটি বেঁচে নেই, বাকি তিন শিশুকে নিয়েও দুশ্চিন্তা
স ই প চ শ শ র – এক শিশু এতে চার দিনের মাথায় হারানো হয়েছে। আরেক শিশু এতে ৩২ দিনের মাথায় মারা গেল। প্রসবের সময় একসঙ্গে আসা পাঁচটি শিশু থেকে আজ দুটি বেঁচে নেই। মা-বাবার আনন্দে কাটছে না তাঁদের এই ক্ষুধিত অবস্থা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১১ জুন সামরিনা আক্তার একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম দেন। তাঁদের বাবা মোস্তাকিম হোসেন। পরিবারের বাসা নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলায়। শিশুদের চিকিৎসার জন্য তাঁরা রাজধানীর আজিমপুরে ভাড়া বাসায় আশ্রয় নেন।
এখন তিন শিশুর মধ্যে একটি অসুস্থ। ফলে তাঁদের সন্তানদের বেঁচে থাকতে দেখার আশা মাটিতে আছে।
টাকা অভাবে সেই ব্যবস্থা করতে পারছেন না মা–বাবা। দোকান বিক্রি করে এবং ঋণ নেয়ার মাধ্যমে সন্তানদের চিকিৎসার খরচ কাটছে তাঁদের ১৬ লাখ টাকা। বেসরকারি হাসপাতালে দুটি সন্তানকে রাখার ক্ষেত্রে দুই লাখ টাকা অর্থসহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
সামরিনা বলেন, অতিরিক্ত খরচের কারণে একটি শিশুকে ঢামেকে নিয়ে যাওয়া হয়। ২১ দিন পর আরেকটি শিশুকে বাসায় নিয়ে আসেন। দুটি শিশু তুলনামূলক সুস্থ আছে। কিন্তু ছাড়পত্র দেওয়ার পর তিন শিশু বাসায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
মা সামরিনা মনে করেন, ঢামেকে এনআইসিইউতে থাকলে হয়তো দুই শিশুকে হারাতে হতো না। বাকি তিন শিশু যেন সুস্থ হয়ে উঠত।
আবার শিশুটি বাসার আনার পরদিনই অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢামেকে যাওয়া হয়। কিন্তু আসন ফাঁকা নেই বলে তাঁদের জানানো হয়। পরে সেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুর নাম জানানো হয়। ওই হাসপাতালে ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশুটি মারা যায়।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এনআইসিইউতে মাত্র ৩৮টি শয্যা আছে। প্রতিদিন হাসপাতালে ৩০-৩৫টি সন্তান প্রসব হয়। গড়ে অন্তত পাঁচটি শিশুকে এনআইসিইউতে ভর্তি করতে হয়। শারীরিক অবস্থা বুঝে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। সেটাও বিবেচনায় রাখতে হয়।
এনআইসিইউতে চারটি শিশু রাখা হয়েছিল। প্রসবের সময় কোনো শিশুর আড়াই কেজির নিচে ওজন হলে অপরিণত শিশু বলা হয়। এই পাঁচ শিশুর ওজন ছিল এক কেজির নিচে। কম ওজনের অপরিণত শিশুদের গুরুতর ঝুঁকি থাকে।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করলে তাঁদের শঙ্কা কাটবে। আবার একটি শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢামেকে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ভালো চিকিৎসার সুয
