বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্কোয়াড এবং আর্জেন্টিনার অবস্থান
ব শ বক প সবচ য় দ – বিশ্বকাপ শুরুতে ব্রাজিল কিছুটা পিছনে থাকছে। দেশের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার কাসেমিরো বলেন, ‘আমরা তুমুল ফেবারিট দল নই।’ তার মতে, বাজারমূল্য বিশ্লেষণে ব্রাজিলের স্কোয়াড ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।
ট্রান্সফাররুম নামক প্রযুক্তি প্রায় দশ বছর আগে তৈরি হয়েছিল। এই প্রণালীতে খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য হিসাব করতে বয়স, গত মৌসুমের পারফরম্যান্স, পুনর্বিক্রয় মূল্য, ভবিষ্যৎ উন্নতির সম্ভাবনা এবং ক্লাবের লিগ মান সমস্ত ক্রমে গৃহীত হয়।
বিশ্বকাপ দলগুলোর বাজারমূল্য তালিকা
এই সমীক্ষায় সবচেয়ে দামি স্কোয়াড ফ্রান্সের। মাইকেল ওলিসে, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং উসমান দেম্বেলের কারণে দলের মোট বাজারমূল্য ১৪৬ কোটি ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা প্রায় ২০ হাজার ৮৬৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকার সমান।
ফ্রান্সের পরে স্পেন, ইংল্যান্ড, জার্মানি ও পর্তুগাল আছে। এই পাঁচটি দেশকে বিলিয়নিয়ার ক্লাব হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ তাদের স্কোয়াডের বাজারমূল্য অত্যন্ত উচ্চ। ব্রাজিল তালিকার ষষ্ঠ স্থানে আছে।
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বর্তমানে ব্রাজিলের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়। কিন্তু বিশ্বকাপের খেলোয়াড়দের মধ্যে তাঁর অবস্থান দশম। তাঁর বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো।
ব্রাজিলের স্কোয়াড দুই বছর আগে ফিফার বর্ষসেরা হওয়ার পর বর্তমানে জাতীয় দলে থাকা বিশ্বের সেরা পাঁচ খেলোয়াড়ের মধ্যে দুজনই ব্রাজিলিয়ান। আর্জেন্টিনা দল তালিকার সাত নম্বরে আছে।
ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেন, ‘আমরা সৌভাগ্যবান যে দলে এত প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। জাতীয় দলে থাকা বিশ্বের সেরা পাঁচ খেলোয়াড়ের মধ্যে দুজনই ব্রাজিলের। দলটি বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারবে।’
আর্জেন্টিনার স্কোয়াডের বাজারমূল্য ৭৩ কোটি ৯০ লাখ ইউরো। লিওনেল মেসিদের বাজারমূল্যে কিছু পতন দেখা গেছে, কারণ বেশির ভাগ খেলোয়াড় ইউরোপিয়ান শীর্ষ ক্লাবে খেলছে না।
