বলিউডের রাজনীতি, হলিউডের কটাক্ষ পেরিয়ে এখন তিনি ১ হাজার কোটি টাকার মালিক
বল উড র র জন ত হল – রণবীর কাপুরের সাথে তাঁর সম্পর্কের জন্য পর্দায় আজও ঝিলমিল চোখে পড়ে। সিনেমাটি দেখার পরই প্রথম তাঁর প্রেমে পড়েছিলাম। তিনি সংলাপহীন ভাবে দর্শকের হৃদয় দখল করতে পারেন, যে কোন অভিনেত্রী তার চেয়ে বেশি করে পারে না। যদিও তাঁর ছবিটি প্রকৃতপক্ষে তাঁকে বিশ্বসুন্দরী করেছিল কিন্তু তাঁকে আবার ক্ষমতার বিষয়ে একটি সংগ্রাম চিত্রিত করেছিল।
পরিবার আর ক্ষমতার প্রশংসা না পেয়ে তাঁর নিজের স্বপ্ন ছিল অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং। কিন্তু ভাগ্যের মোহ কাজ করেছিল অন্য কাজে। ভারতের জাতীয় সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পর তাঁর পরিচয় আবার পরিবর্তন হয়। ২০০০ সালে তিনি মাত্র ১৮ বছর বয়সে মিস ওয়ার্ল্ড পুরস্কার জিতেছিলেন। এরপর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বলিউডে একটি অত্যন্ত বিশ্বসুন্দরী হওয়ার পর তাঁর অভিনয় বিষয়ে প্রাকৃতিক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়। যদিও বাণিজ্যিক সাফল্য দেখানো হয়েছিল ‘আন্দাজ’-এ কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রিয়াঙ্কার দর্শকদের মন জয় করেছিল একটি সাহসী নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে।
তিনি প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। বিশ্বসুন্দরী হওয়ার পর তাঁর ক্যারিয়ার যে গ্ল্যামারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না তা প্রমাণ করেছিলেন সাহসী ভাবে। সেই অভিনয়টি ছিল ‘আইতরাজ’-এর কাজ। তাঁর পরবর্তী ছবিগুলি তাঁকে অভিনেত্রী হিসেবে বিশ্বসুন্দরী করেছিল কিন্তু এ মুক্তি হয় সে সময় তাঁর সাথে নানা গুঞ্জন দেখা দেয়। প্রথম বছর শাহরুখ খানের সাথে কাজের পর তাঁকে সম্পর্ক নিয়ে সাধারণ আলোচনা চলে।
বলিউডে তাঁকে কোণঠাসা করা হচ্ছিল, অনেকের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল এবং কাজের সুযোগ কমে যাচ্ছিল।
অথচ তাঁর পরিবারের মূল্যায়ন ছিল একটি ক্ষমতার নির্দেশ। যাকে তিনি পুনঃপ্রাপ্তি করেছিলেন মার্কিন টেলিভিশন সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’-তে। এই সিরিজ ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের নতুন মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার কারণ হলো দক্ষিণ এশিয় বংশোদ্ভূত একজন অভিনেত্রী যে ইতিহাসে প্রথমবার মার্কিন নেটওয়ার্ক টেলিভিশনে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
তাঁর ছবিগুল
