৯২ শ ক ষ র থ কোটি টাকা আত্মসাত, আদালত চত্বরে বিক্ষোভ
৯২ শ ক ষ র থ র প্রতিষ্ঠান দুটি শিক্ষার্থীদের সোয়া আট কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মামলায় আদালতে চার জন আসামিকে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার নতুন রিমান্ডের আদেশ জারি করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক বিল্লাল ভূঁইয়া প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন যে আদালতের চার আসামি বিভিন্ন মেয়াদে জেলে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিস্তারিত বিবরণ
প্রতিষ্ঠানের ঘটনা বিবরণ অনুযায়ী, ‘ভিসা গাইড’ ও ‘জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট’ নামে পরিচিত দুটি সংস্থা শিক্ষার্থীদের বিদেশে ভর্তি করার আশ্বাস দেয়। কিন্তু চার মাসের মধ্যে কাউকে কোনও জায়গায় পাঠানো হয়নি। মামলার পরিস্থিতি হামলার পর আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের সাথে সংঘটিত তীব্র বিবাদে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ছড়ায়।
মামলার প্রতিষ্ঠান দুটি শিক্ষার্থীদের সোয়া ৮ কোটি টাকা আত্মসাত করে। আসামি হিসাবে মোট সাত থেকে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে হাজির করার সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশি হেফাজতে থাকা আসামিদের উপর হামলার চেষ্টা করে। ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, হাজতখানার ফটক বন্ধ করে আসামি সংখ্যা কমানো হয়।
“৯২ শ ক ষ র থ র প্রতিষ্ঠান দুটি শিক্ষার্থীদের সোয়া আট কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য সামনে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কোনও বিদেশী ভিসা পাওয়া হয়নি আসামিদের জন্য শিক্ষার্থীদের উৎকণ্ঠা অনুভব করা হয়।”
মামলার সংঘটন পরিচালনা করতে আসামি রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে যেহেতু সেটি পূর্বের বিচারকদের আদেশে চালু হয়। আরিফুল ইসলাম আদালতে বিষয়টি পরিষ্কার করে দেন যে সব আসামি সাত থেকে আট জন রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠান দুটি কোন অর্থ ফেরত দেয়নি এবং শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে দেয়। তদন্ত কর্মকর্তার মতে, আসামিরা নিজেদের সংস্থার নামে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ ব্যবস্থা বাড়িয়ে দেয়। মামলার বিষয়টি স্পষ্ট করে দেখানো হয় যে সম্পূর্ণ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে কিন্তু বিদেশে পাঠানো হয়নি।
প্রতিষ্ঠানের কার্যপ্রণালী ও শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া
৯২ শ ক ষ র থ র প্রতিষ্ঠান দুটি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত ভিসা ব্যবস্থা প্রবর্তন করে। কিন্তু তাদের সম্পর্কে জানানো হয় যে কোনও কর্মী বিদেশী প্রতিষ্ঠান সাথে জুড়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের প্রায় আট কোটি টাকা আত্মসাত করে। আদালতে গ্রেপ্তার করা হয় যখন শিক্ষার্থীদের পুলিশ হেফ
