জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়া হয়েছে শহীদদের পরিবার সদস্যদের কাছে
জ ল ই হত য ক ণ – জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়া হয়েছে শহীদদের পরিবার সদস্যদের কাছে। দেড় বছর পর ইনকিলাব মঞ্চের আয়োজিত একটি স্মৃতিকুমারী কর্মসূচিতে শহীদদের পরিবার সদস্যরা জুলাই গণ অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানায়। তারা এই দুর্দান্ত ঘটনার স্মৃতি রক্ষা করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন এবং সম্পূর্ণ বিচারের দাবিতে অবতরণ করেছেন। এই আন্দোলন জুলাইয়ের অতীতে বিচারের দাবি জানানোর সাথে সাথে শহীদদের স্মৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছে যে তাদের জীবন জুলাইয়ে সংঘটিত হয়েছিল।
শহীদদের পরিবার সদস্যদের আবেদন
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের আবেদন এখনও চলছে এবং শহীদদের পরিবার সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামনে বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানাচ্ছে। এই ঘটনার প্রতি সংগ্রাম করে তারা জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে জুলাইয়ের কাহিনী পুনরাবৃত্তি করা হয়েছিল। এই মঞ্চ থেকে বিচার চাওয়া হয়েছে যেহেতু জুলাইয়ে হত্যাকাণ্ডে আটকে থাকা ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
“আজ যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, তারা জুলাইয়ের কারণেই ক্ষমতায়। তাই অন্তত জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করুন।”
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি বৃহস্পতিবার শাহবাগে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে মূল আলোচনার মূল বিষয় হিসেবে উঠে এসেছিল। শহীদ ফারহান ফাইয়াজের পিতা শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আন্দোলনে আহত অনেকে স্থায়ী পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্বের সাথে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। জুলাইয়ে শহীদ মোহাম্মদ সোহেল রানার ছোট ভাই মোহাম্মদ নাবিল হোসেন বলেন, নিহত ভাইয়ের মৃতদেহ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দাফনের দেড় বছর অপেক্ষার পর শনাক্ত করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন যে অনেক শহীদের কবর এখনো সংস্কার করা হয়নি এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও স্বীকৃতির জন্য নিহতদের পরিবার বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছে।
সরকারের উত্তর ও আহ্বান
ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফজলে রাব্বি সরকার বলেন, জুলাই গণ অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের যথার্থ মূল্যায়ন হবে তখনই যখন হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। তিনি শহীদদের স্মৃতি রক্ষা ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্মৃতি রক্ষা করতে সরকারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
ফাতেমা তাসনিম বলেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে কেউ কেউ রাজনৈতিক ও আর্থিকভাবে লাভবান হলেও অধিকাংশ শহীদ পরিবার এখনো কষ্টে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। তারা জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও স্বীকৃতি আমাদের সামনে স্থায়ী আহ্বান হিসেবে উঠে এসেছে। জুলাইয়ে হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা ব্যক্তি কারাগারে থাকার পর তাদের জীবনে অনেক কষ্ট হয়েছে।
অন্য একজন শহীদের
