টরন্টোয় ‘দেওয়ান গাজীর কিস্সা’
টরন ট য় দ ওয় ন গ – টরন্টোতে মঞ্চস্থ হওয়া এবং সামনে আসা ‘দেওয়ান গাজীর কিস্সা’ নাটকের কথা শুনে আমার মনে হয়েছিল এটি একটি নতুন ঘটনা। যদিও আমরা ঢাকার নাট্য সম্প্রদায়ের প্রযোজনা আগে থেকে দেখেছি, কিন্তু তার জনপ্রিয়তা আর মূল্য যে কী সামান্য বাঁক তৈরি করবে তা মনে হয়নি। এখন হঠাৎ করে প্রতিটি দর্শকের মনে হয়েছিল নাটকটি আসলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছাপ ছেড়ে দেবে।
স্ক্রিপ্টে এমন একটি ধারাবাহিকতা আছে যে আমার মনে হয়েছিল এটি কমেডি ঘরানার জন্য প্রায় উপযুক্ত। প্রতিটি কথা এবং কাজে যে মৌলিক কিছু গুণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখলে বুঝা যায়। নাটকটি আমাদের সমাজের যাপিত বৈষম্যগুলো হাস্যরসের মাধ্যমে উল্টো দিকে প্রকাশ করছে। কমেডি থিয়েটার বিষয়টি আমাদের জানা যায় যে এটি প্রায় ঘোষণা দিয়ে লোকহাসানোর জন্য কঠিন। কারণ হাস্যরসের সাথে এতটুকু নয়, কমেডি একটি সামান্য ঘোষণা হিসেবে প্রকাশ হয় বলে মনে হয়।
বলাই বাহুল্য, স্ক্রিপ্টকে বাহবা দেওয়ার আছে, কিন্তু কথা হলো কী, আসলে স্ক্রিপ্টও নয়, ওই মুহূর্তটা যে দর্শক-শ্রোতার সামনে ওই নির্দিষ্ট সময়ে একটি ম্যাজিক তৈরি করে গেল, সেটাই ভালো প্রযোজনার অন্য রকম লক্ষণ!
টরন্টো থিয়েটারে মাহমুদুল ইসলাম সেলিমের প্রযোজনা বাদ দিয়ে আমি আরও বেশি আগ্রহ নিয়ে দেখলাম নাটকটির মাখন চরিত্রের প্রতি। যে চরিত্রটি দুই দিকে দুই শ্রেণিকাঠামোর দ্বন্দ্বের মাঝখানে থাকছে, তার সরলতা ও চতুরতা বুঝতে পারলাম। সেটি একাধারে খাপ খাওয়াতে ও বিদ্রোহ করতে প্রস্তুত। এ কাজটি একেবারে সহজ নয়, নাটকের চরিত্রগুলোর প্রতিটি অভিনয় আর প্রবাহের মাধ্যমে নির্দেশনাটি প্রমাণ করা হয়েছে।
দেলোয়ার এলাহী যে নাটকের মুখ্য চরিত্র দেওয়ান গাজী প্রতি যে শক্ত পারফরমার হয়েছেন তা কয়েক মিনিটের মধ্যে নিশ্চিত করে দিয়েছেন। তাঁর অভিনেতার এন্ট্রি বলে একটা ব্যাপার থাকে, তাঁর জন্য সেটা শুধুমাত্র একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে রইল। দর্শকদের মনে হয়েছিল এ রকম একটি সম্পর্কের ধরনটা স্পষ্ট করে দেখতে পারে যে চিন্তা করে দেখা হয়েছিল। প্রযোজনার পরিচালনা এবং নাটকের গতি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন।
লাইলি চরিত্রটি মানবী এবং তিন জন যৌনকর্মী চরিত্রে শাপলা-ডালিয়া-শর্মী কর্মকর্তারা মোটামোটি এটি সার্থক করেছেন। তাঁদের উপস্থিতি
