ফ্রান্সকে খেলতে না দিয়ে যেভাবে ফাইনালে উঠল স্পেন
ফ র ন সক খ লত ন – বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন তাদের দলীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নতুন ফুটবল দেখায়। সেই ম্যাচে তারা ব্যক্তিগত প্রতিভার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং সমন্বয় ও ছন্দকে কাজে লাগিয়ে পরাক্রমশালী ফ্রান্সের ওপর আধিপত্য দেখিয়েছে।
সামনে আসা ছাড়া বিশ্লেষকরা যেকোনো প্রতিযোগিতায় উসমান দেম্বেলে অ্যালেক্স বায়েনার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। কিলিয়ান এমবাপ্পে দানি ওলমোর সাথে তুলনা করা হয়। কিন্তু স্পেন প্রতিটি পজিশনে ফ্রান্সের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে ছিল।
পেদ্রো পোরো: দলের জয়ের নায়ক
ম্যাচ জুড়ে দুর্দান্তভাবে রক্ষণ সামলানো ও জয়সূচক গোল করে পেদ্রো পোরো তাদের দলের প্রতিযোগিতার সম্পূর্ণ শক্তি বজায় রেখেছেন। এই মুহূর্তে তিনি বলেন, ‘এটা তাঁর জন্য স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো ব্যাপার। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা দারুণ খেলেছি।’
ফাইনালে ওঠার জন্য যা যা করা দরকার, আজ সবই করেছি।’
পোরো আরও জানান, ফ্রান্সকে তাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে না দেওয়া ছিল তাদের পরিকল্পনার অংশ। বলের দখল ধরে রাখার মাধ্যমে ফাইনালে উঠার সম্ভাবনা বাড়িয়েছিল তাদের পরিকল্পনা। ফ্রান্সের প্রধান শক্তি ছিল পাল্টা আক্রমণ, যা আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল।
স্পেনের ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো এই ম্যাচে দুটি গোল করেছেন, যা তার জন্য প্রথমবারের মতো এক অসাধারণ মুহূর্ত। তিনি এটা স্বীকার করেন, ‘এই জয় আমাদের সবার। আমরা ২৬ জন খেলোয়াড়ের একত্র করে এই সাফল্য অর্জন করেছি।’
ম্যাচের মাঝপথে তিনি মাঠ ছাড়ার প্রসঙ্গে বলেন, ‘কখন আমাকে তুলে নেওয়া হয়েছে, সেটা ঠিক মনে নেই। তবে তখন আমার আর কিছু দেওয়ার মতো শক্তি ছিল না।’
পোরো এই বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম দুটি গোল করেছেন, যা স্পেনকে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছে। এই বিজয়ের জন্য তিনি সবাইকে অভিনন্দন জানান।
