Uncategorized

স্বামী-স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরেন তাঁরা

স্বামী-স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরেন তাঁরা পরিবার নিয়ে বসবাস করেন রব্বানী ও রুপালী দম্পতি স ব ম স ত র ম - স্বামী স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরেন তাঁরা। রব্বানী ও

Desk Uncategorized
Published May 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

স্বামী-স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরেন তাঁরা

পরিবার নিয়ে বসবাস করেন রব্বানী ও রুপালী দম্পতি

স ব ম স ত র ম – স্বামী স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরেন তাঁরা। রব্বানী ও রুপালী দম্পতি যমুনা নদীর তীরে একটি বাঁধের উপর বসবাস করেন, যেখানে তাঁদের পরিবারে ছয় জন আছে। স্বামী-স্ত্রী মিলে তাঁরা পরিবারের অর্থ উপার্জনের একমাত্র উপায় হিসেবে নদীতে মাছ ধরেন। দৈনিক ভাবে তাঁরা যমুনা নদীতে ৭ থেকে ১০টি চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ আটকায়। স্বামী স্ত্রী মিলে সংসার চালানোর জন্য তাঁরা জালের সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং চালানোর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁদের মাছের মূল্য কাছাকাছি দুই হাজার টাকা পর্যন্ত হয়, যা তাঁদের পরিবারের সারাবছর খাওয়াদাওয়া এবং বিশেষ করে শিশুদের শিক্ষা খরচ কভার করে।

তাঁদের মাছ ধরার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ

স্বামী স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরার কাজে নিয়োগ করা হয় যেন প্রতিদিন সংসারের সমস্ত খাবার আসে। তাঁরা সকালে উঠে যমুনা নদীতে জাল ফেলেন, যা মাছ আটকানোর জন্য খুব দক্ষ। এই কাজে রব্বানী ও রুপালী দম্পতি একত্রে সম্পাদন করেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে স্ত্রী রুপালী বেগম তাঁর স্বামীকে সহায়তা করেন মাছ শিকারে। তাঁদের পরিবার মোটামুটি তিনটি রান্না বানায় এবং মাছ তৈরি করে চালায়, যা তাঁদের পরিবার জুড়ে সমান ভাগে বিতরণ করে।

এই পরিবারের পরিস্থিতি ও সংকট

স্বামী স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরার কাজে একাধিক সংকট সম্মুখীন হন। যমুনা নদীর মাছের সংখ্যা কমে গেলে তাঁদের আয় বিপন্ন হয়ে পড়ে। কিছু সময় জাল আটকানো জন্য তাঁদের কাজ কঠিন হয়ে আসে, কারণ মুসলিম সম্প্রদায় থেকে বেশি সংখ্যক মাছ ধরার জন্য স্বামী স্ত্রী মিলে অত্যন্ত অস্থির অবস্থায় কাজ করেন। তাঁদের পরিবারের বৃদ্ধরা নানান প্রকার সাহায্য প্রদান করেন, কিন্তু অস্থায়ী বিপন্নতার কারণে সংসারের খাবার পরিমাণ কমে আসে।

অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং স্বামী স্ত্রী মিলে সমাধান

স্বামী স্ত্রী মিলে নদীতে মাছ ধরার কাজে তাঁদের পরিবার তাঁদের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হয়। তাঁদের নদীতে মাছ ধরা প্রক্রিয়ায় বিশেষ জ্ঞান রয়েছে, যা তাঁদের প্রতিদিনের সংসারের জন্য অপরিহার্য। রব্বানী ও রুপালী দম্পতি নদীর বিভিন্ন অংশে মাছ আটকানোর জন্য সময় কাটানোর পরিকল্পনা করেন এবং কখনও কখনও জাল ফেলার জন্য একটি নতুন সংগ্রহ করেন। তাঁদের এই প্রতিযোগিতা মোটামুটি তাঁদের নিজেদের সম্পর্ক ভালো রাখতে সাহায্য করে।

স্বামী স্ত্রী মিলে জীবন গড়েছেন সাধারণ গৃহস্থ কীর্তন

স্বামী স্ত্রী মিলে যমুনা নদীতে মাছ ধরার কাজে তাঁদের পরিবারের বৃদ্ধরা বিশেষ করে সহায়তা করেন। কিছু সময় তাঁদের মাছ আটকানোর কাজ কঠিন হয়, কিন্তু তাঁদের এ

Leave a Comment