৩২ দিন লেবু মুখের মধ্যে রাখতে হয়েছে
৩২ দ ন ল ব ম খ – ঈদে পর্দায় প্রবেশ করবে খায়রুল বাসারের একটি নতুন সিনেমা এবং ডজন খানেক নাটক। সাক্ষাৎকারের সময় মনজুরুল আলম এই অভিনেতার সাথে আলোচনা করেছেন। আপনি বর্তমানে কী কাজে ব্যস্ত আছেন? খায়রুল বাসার জানান, আপনার সিনেমার শুটিং এবং একটি সিনেমার সিক্যুয়েল করছেন।
ঈদের নাটক প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয়, কত দিন তার শুটিং চালিয়ে যাবেন? খায়রুল বাসার বলেন, এটি ঈদের শেষ নাটক হবে। আগামী ২৬ তারিখ পর্যন্ত তিনি অংশ গ্রহণ করবেন।
আপনার সিনেমাটি ঈদে মুক্তি পাচ্ছে, তার প্রচারণায় কী করতে হবে? খায়রুল বাসার জানান, সিনেমার শুটিংয়ের মধ্যেই প্রচারণার কাজ অগ্রসর হচ্ছে। পোস্টার প্রকাশের পর থেকে তিনি সাড়া পেয়েছেন। নতুন ক্যারেক্টার পোস্টার বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অনেক সময় ট্রেলার এবং গানের আশা রেখেছেন।
‘নেটওয়ার্কের বাইরে’ এবং ‘কাজল রেখা’ সিনেমার পর থেকে একটি কথা অনেক শুনতে হয়েছে। আমি সিনেমা করতে চাই, কিন্তু নাম লেখানো কঠিন।
খায়রুল বাসার জানান, এখানে বছরে কয়টি সিনেমা হয়? তিনি বলেন, ছাড়া নাটকের শিল্পীদের অভিনয় করার কথা জানা যায় না। একেবারে সিনেমায় নাম লেখানো কঠিন হয়েছে। আমাকে সন্ন্যাসজীবন বা বাউন্ডুলেজীবন বেছে নিতে হয়।
আপনার জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয় করার কথা শুনে শুরুতে কী মনে হয়েছিল? খায়রুল বাসার বলেন, অডিশনে তিনি যান। চিত্রনাট্যের একটি অংশ তাঁকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী অভিনয় করতে হয়। চরিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড কিছু জানা ছিল না। পরিচালক মাসুদ হাসান উজ্জ্বল বলেন, ‘যা মন চায় অভিনয় করো।’ সে পরিচালকের বাক্যে আমি বিশাল একটি ইমোশনে দাঁড়িয়ে গেলাম।
জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা কী ছিল? খায়রুল বাসার জানান, তাঁর কবিতা আমার পছন্দের ছিল। জীবন ও প্রকৃতি নানাভাবে ব্যাখ্যা করেন। এটি অনেক গবেষণা করে লেখা। প্রচুর পড়ার জন্য তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ক্যারেক্টার পোস্টারে জীবনানন্দ দাশের মতোই মুখ ফোলা ছবি রয়েছে। এটার জন্য কী করতে হয়েছিল? খায়রুল বাসার বলেন, জীবনানন্দ দাশের ছবি খুব সামান্য। এখানে যে ছবি আছে, সেগুল
