‘৪০০ টাকায় কেনা চামড়া ১৫০ টাকার বেশি দিতে চাইছে না কেউ’
৪০০ ট ক য় ক ন চ – চট্টগ্রাম নগরের চৌমুহনী এলাকায় বৃহস্পতিবার ঈদের দুপুর গড়াতে চামড়া বিক্রেতারা দাম নিয়ে আলোচনা চলছে। সড়কের পাশে চামড়া রেখে বিক্রি করতে বসেছেন বেশির ভাগ বিক্রেতা। কেউ চামড়া গুনছেন, কেউ মোবাইলে আড়তদারের সঙ্গে দর ঠিক করছেন, কেউ ক্রেতার অপেক্ষায় অবস্থিত আছেন। কোথাও দাম নিয়ে তর্ক, কোথাও দ্রুত হাতবদল হচ্ছে চামড়া।
চট্টগ্রাম জেলার বড় কুমিরা ইউনিয়ন থেকে চামড়া সংগ্রহ করেছেন মৌসুমি বিক্রেতা মোহাম্মদ দিদার। তিনি এক বন্ধুর পরামর্শে প্রথম করে চামড়ার ব্যবসা শুরু করেছেন। তিনি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করেছেন। কী স্থানে কী দামে কেনা হয়েছে তা নিয়ে বর্ণনা করেছেন তিনি।
‘কেনা দামও উঠতেছে না। এখন কী করি বুঝতেছি না। এ টাকা তুলতে না পারলে পথে বসে যাব।’
দিদারের প্রতিটি চামড়া গড়ে ৪০০ টাকা করে কেনা হয়েছে। বড় ও মাঝারি আকারের চামড়া নিয়ে এসেছেন চট্টগ্রাম নগরে। গত বছর লোকসান হয়েছিল, সে জন্য তিনি আর তিন বছর চামড়া কেনেনি। এবার বাজার ভালো হতে পারে বলে আশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুপুর গড়াতেই হতাশ হয়ে পড়েছেন।
অন্য ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রুবেল বলেন, ‘গতবার বড় লোকসান হয়েছিল। তাই এবার হিসাব করে চামড়া কিনছি। বেশি দামে চামড়া নিচ্ছি না। আড়তদারেরাও সতর্ক থাকতে বলছেন। তবে মনে হচ্ছে, এবার গতবারের মতো খারাপ হবে না।’
চৌমুহনীতে এমন অনেক ব্যবসায়ী দেখা গেছে যাঁরা গত বছর চামড়ার ব্যবসা করেছিলেন। কিন্তু লোকসানের পর আজকাল মাঠে নামেননি। তবে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘চামড়ার ব্যবসায় ঝুঁকি সব সময় থাকে। এবারও আছে। তাই খুব হিসাব করে কিনছি।’
চট্টগ্রাম বৃহত্তর কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির তথ্য অনুযায়ী, এবার তাদের ৪০ জনের মতো আড়তদার চামড়া কিনছেন। এই মৌসুমি চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪ লাখ চামড়া। সমিতির সভাপতি মো. মুসলিম উদ্দিন বলেন, ‘২০০ থেকে ৬০০ টাকা পর
