শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন, গৃহযুদ্ধও উসকে দিয়েছেন—ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী কী পথে যাচ্ছেন
নোবেল পুরস্কার এবং শাসনের পরিবর্তন
শ ন ত ত ন ব ল – প্রধানমন্ত্রী শ ন ত ত ন ব ল সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় বিশ্বে একটি বিশেষ অবদান রেখেছেন। ২০১৮ সালে ইথিওপিয়ায় ক্ষমতা অর্জনের পর তিনি রাষ্ট্রীয় পরিবর্তন ঘটানোর বাস্তবায়ন করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে তাঁর প্রয়াসগুলো গণতন্ত্রের পথে দেশটি অগ্রগতি ঘটানোর সংকেত দিয়েছিল। কিন্তু শ ন ত ত ন ব ল শাসনামলে ক্ষমতার চারপাশে বিভক্ত সমাজ গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। শান্তির মানদণ্ডে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মাত্র এক মাস পর তিনি নতুন বিষয়গুলির মুখোমুখি হন।
গৃহযুদ্ধ সংক্রান্ত মুখ্য বিষয়ে শ ন ত ত ন ব ল ক্ষমতা অর্জনের পর সামাজিক ভারসাম্য বিনষ্ট করেছেন। সামনে এসেছে নতুন রাষ্ট্রীয় গোলযোগ যা কয়েকটি জাতি মধ্যে দ্বন্দ্ব বৃদ্ধি করেছে। সেই সাথে আগে ক্ষমতায় ছিলেন হাইলেমারিয়াম দেসালেন এবং তিনি শ ন ত ত ন ব ল শাসনের প্রতিক্রিয়া জানান সামাজিক পরিবর্তনের প্রায় অস্থির হয়ে উঠেছে।
রাষ্ট্রীয় বিকাশ এবং বিভেদের আরম্ভ
২০১৯ সালে শ ন ত ত ন ব ল নতুন সংস্কার প্রস্তাব দেন। তিনি ইপিআরডিএফ গঠন করেন এবং প্রসপারিটি পার্টি গঠন করেন যা তিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের প্রভাব কমাতে চাইছে। প্রাথমিক ধারণায় শ ন ত ত ন ব ল একটি বিশ্বের আস্তমান হিসাবে জনপ্রিয় হন। কিন্তু এখন তাঁর শাসনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে সমাজের মধ্যে আরও বেশি বিভেদ দেখা দিয়েছে।
শ ন ত ত ন ব ল ক্ষমতায় আসার পর ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পর্কে নতুন ধারণা প্রবর্তন করেন। কিন্তু একটি মুহূর্তে তাঁর সংস্কার বিভিন্ন সম্প্রদায়কে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেয়। আফ্রিকার সবচেয়ে পুরোনো স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর একটি ইথিওপিয়ায় নাগরিকরা আগে স্বাধীন সমাজ নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু এখন তার সাথে নিশ্চিত বিভেদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে শ ন ত ত ন ব ল সামাজিক ভারসাম্য বিনষ্ট করেছেন। নতুন নির্বাচনের পর সামাজিক বিভাজনের প্রতিক্রিয়া চলছে। সরকার চারপাশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিষয় তৈরি করেছে যা রাষ্ট্রীয় সংহতি ভেঙে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সংস্কার করা হয়েছে শ ন ত ত ন ব ল এবং তাঁর ক্ষমতা সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া আগের কোনও ক্ষমতাকে পরিবর্তন করেছে না।
বিশেষ করে শ ন ত ত ন ব ল ক্ষমতা অর্জনের পর সামাজিক চাপের বিষয়টি আরও প্রসারিত হয়েছে। ভোটাধিকার বিষয়ে সংখ্যাগুরু মানুষ �
