Uncategorized

হরমুজ চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, বড় নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে ইরানের হাতে

হরম জ চ ক ত চ ড় - ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে প্রাথমিক সমঝোতার পর এখন চূড়ান্ত চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মতভেদগুলো পর্যালোচনা শেষে শিগগিরই এই

Desk Uncategorized
Published August 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. হরমুজ প্রণালি নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তির পথে ইরান ও ওমান
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

হরমুজ প্রণালি নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তির পথে ইরান ও ওমান

Banglaprabah.com – হরম জ চ ক ত চ ড় – ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে প্রাথমিক সমঝোতার পর এখন চূড়ান্ত চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মতভেদগুলো পর্যালোচনা শেষে শিগগিরই এই চুক্তি ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তি হলে হরমুজ দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ ও সেবা ফি নেওয়ার অধিকার তেহরানের হাতে থাকবে।

এই জলপথে জাহাজ চলাচলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির অর্থ হলো আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে তেহরানের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। পাঁচ মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপে দেওয়া যুদ্ধে এটি তেহরানের একটি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক জয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুদ্ধের আগে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল না এবং তখন কোনো সেবা ফিও দিতে হতো না।

চুক্তির বিস্তারিত ও পথ নির্ধারণ

কয়েক দিনের আলোচনার পর গত বুধবার রাতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে প্রাথমিক ঐকমত্যের কথা জানান। তিনি চূড়ান্ত পর্যালোচনা চলার কথাও উল্লেখ করেন। ইরানের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদির ভাষ্য ছিল, সমঝোতা অনুযায়ী হরমুজ দিয়ে পারস্য উপসাগরে জাহাজ প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের নিয়ন্ত্রণ করবে তেহরান।

খসড়া চুক্তিটি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন কিংস কলেজ লন্ডনের শিক্ষক রব জেইস্ট পিনফোল্ড। তিনি বলেন, সমঝোতা অনুযায়ী হরমুজে দুটি পথ থাকবে। একটি ইরানের ও অন্যটি ওমানের উপকূল দিয়ে। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যুদ্ধের আগে হরমুজের মাঝবরাবর যে পথ ব্যবহার করা হতো, নতুন পথে সে পরিমাণ জাহাজ চলাচল সম্ভব নয়। নতুন পথ কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।

সমঝোতা অনুযায়ী হরমুজে দুটি পথ থাকবে। একটি ইরানের ও অন্যটি ওমানের উপকূল দিয়ে। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

সেবা ফি নিয়ে মতবিরোধ ও অন্যান্য বিষয়

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে যে খসড়া চুক্তি হয়েছে, তাতে হরমুজ দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করা জাহাজগুলোর ওপর ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তবে প্রধান অমীমাংসিত বিষয়গুলোর একটি হলো উপসাগর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোর ওপরও ইরানের কী ধরনের ভূমিকা বা কর্তৃত্ব থাকবে। এটি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।

হরমুজে জাহাজের ওপর নিয়ন্ত্রণটা কেমন হবে, তার বিস্তারিত পথরেখা তৈরির কাজও চলছে বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি সূত্র। এ ছাড়া সেবা ফি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে কিছু মতবিরোধ রয়েছে। জাহাজে থাকা পণ্যের মোট মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ ফি নিতে চায় তেহরান। ওমান এই সেবা ফি ৩ শতাংশ করতে আলোচনা করছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের ফির বিরুদ্ধে।

যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও ট্রাম্পের অবস্থান

ইরান যুদ্ধ শুরু হয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর পর থেকেই হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে তেহরান। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন করা হতো। হরমুজ বন্ধ থাকার অস্থির হয়ে ওঠে জ্বালানি বাজার। এতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে উল্টো চাপে পড়ে ওয়াশিংটন। এমন পরিস্থিতিতে প্রণালিটি চালু করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত জুলাইয়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যে ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল, তার মূলেও ছিল এই হরমুজ প্রণালি। এরপরও তেহরানকে পিছু হটাতে পারেনি ওয়াশিংটন। ইরান সরকার তাদের আগের অবস্থানেই অটল রয়েছে যে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল করলে, তাদের নিয়ন্ত্রণ পথ দিয়েই করতে হবে। এর বিনিময়ে টোল নেবে তারা। ওমান উপকূল দিয়ে জাহাজ চলাচল করলে হামলাও চালাচ্ছিল ইরান বাহিনী।

চুক্তির ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

তেহরানে অবস্থান করা আল–জাজিরার সাংবাদিক তোহিদ আসাদিকে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, দু–একটি বিষয়—যেগুলো মীমাংসা হয়নি, সেগুলো তেমন একটা জটিল নয়। কারণ, মূল বিষয়—অর্থাৎ হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলে রাজি হয়েছে দুই পক্ষ। সূত্রের বরাতে তোহিদ আসাদি বলেছেন, বৃহস্পতিবার দিনের শেষ নাগাদ একটি চুক্তির ঘোষণা দিতে পারে তেহরান।

হরমুজে টোল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল মাথাব্যথা থাকলেও এ আলোচনার দেশটিকে যুক্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছে ইরান। আর সমঝোতার খবর সামনে আসার পর ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। তারা বলেছে, হরমুজে অস্থায়ী কোনো পথে জাহাজ চলাচলে অনুমতি বা টোল গ্রহণযোগ্য নয়।

চুক্তি না করলে ইরানে কঠোর হামলা চালানো হবে।

সব মিলিয়ে হরমুজ প্রণালি নিয়ে কোনো চুক্তি হলেও এটাই সংকটের শেষ নয় বলে মন্তব্য করেছেন আল–জাজিরার সাংবাদিক মাহমুদ আবদেল ওয়াহেদ। এর কারণ হিসেবে হরমুজে টোল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ অবরোধ এবং যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার কোনো অগ্রগতি না হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন তিনি। এ ছাড়া পাল্টাপাল্টি হুমকি তো রয়েছেই।

হরমুজ নিয়ে চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে বুধবারই ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তি না করলে ইরানে কঠোর হামলা চালানো হবে। আর বৃহস্পতিবার ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আকরামিনিজা বলেছেন, যেকোনো হুমকির জবাব দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে ইরান।

Frequently Asked Questions

What is হরম জ চ ক ত চ ড়?

হরম জ চ ক ত চ ড় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does হরম জ চ ক ত চ ড় matter?

হরম জ চ ক ত চ ড় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment