Uncategorized

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবেন ইমাম-পুরোহিতরা

ড য় ব ট স প রত - চিকিৎসকের পরামর্শের চেয়ে সাধারণ মানুষ ধর্মীয় গুরু বা ইমামদের কথা বেশি বিশ্বাস করেন। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও নেতাদের

Desk Uncategorized
Published August 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : James Jackson - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে নতুন মডেল
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে নতুন মডেল

Banglaprabah.com – ড য় ব ট স প রত – চিকিৎসকের পরামর্শের চেয়ে সাধারণ মানুষ ধর্মীয় গুরু বা ইমামদের কথা বেশি বিশ্বাস করেন। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও নেতাদের সম্পৃক্ত করে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যসেবা আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘ইন্টারন্যাশনাল প্রিভেনশন সামিট ২০২৬’ সম্মেলন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ কথা জানান।

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দিনব্যাপী এতে একটি গোলটেবিল বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সম্মেলনের সর্বশেষে ‘ফেইথ বেজড প্রিভেনশন’ বা বিশ্বাসভিত্তিক প্রতিরোধ শীর্ষক ঢাকা ঘোষণা ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণায় ডায়াবেটিস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিষয়ক উদ্যোগের পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা ও স্থানীয় কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা ও গবেষণার ফলাফল

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় নেতারা যদি মানুষকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে পরামর্শ দেন এবং নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষার উৎসাহিত করেন, তাহলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক সাফল্য মিলবে। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাডাসের গ্লোবাল হেলথ রিসার্চ সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত এক ট্রায়ালে ‘ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ’ মডেলের কার্যকারিতা ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার ফলে মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক সাফল্য মিলেছে। তিনি বলেন, এই মডেলকে কাজে লাগানো গেলে দেশজুড়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাফল্য মিলবে।

মসজিদে মসজিদে সচেতনতার বার্তা

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন বলেন, মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে ডায়াবেটিস সচেতনতার বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ১০০টি মসজিদে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইমাম ও একজন নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তিনি মনে করেন, দেশের বিপুলসংখ্যক মসজিদে এ কার্যক্রম চালু করা গেলে খুতবার মাধ্যমে একসঙ্গে কোটি মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছানো সম্ভব। এতে রোগটি আগেই শনাক্ত করে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ বাড়বে।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বাংলাদেশ যে ফেইথ বেজড উদ্যোগ নিয়েছে, তা বিশ্বে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেন আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) সভাপতি অধ্যাপক পিটার শোয়ার্জ। তিনি বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে একসঙ্গে কাজে লাগানোর এ মডেল বাস্তবায়নযোগ্য ও টেকসই। তাঁর মতে, অনেক দেশে ডায়াবেটিস প্রতিরোধের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবে কার্যকর হয় না। বাংলাদেশের এ উদ্যোগকে তিনি বিশ্বব্যাপী অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে তুলে ধরবেন এবং অন্য দেশগুলোকে তা গ্রহণে উৎসাহিত করবেন।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ‘ঢাকা ঘোষণা’ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আগেই রোগ শনাক্ত করা এবং অনেক মানুষকে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

বিশ্ব ডায়াবেটিস ফাউন্ডেশনের (ডব্লিউডিএফ) বোর্ড চেয়ার সোবিয়া আকরাম বলেন, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ‘ঢাকা ঘোষণা’ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আগেই রোগ শনাক্ত করা এবং অনেক মানুষকে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব। বাংলাদেশের এই মডেল অন্য দেশেও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন ডায়াবেটিস ইন এশিয়া স্টাডি গ্রুপের (ডিএএসজি) সভাপতি আবদুল বাসিত, ওআইসি-কমস্টেকের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক এম ইকবাল চৌধুরী প্রমুখ। দিনব্যাপী সম্মেলনে অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদসহ বাডাসের শীর্ষ নেতারা।

Frequently Asked Questions

What is ড য় ব ট স প রত?

ড য় ব ট স প রত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ড য় ব ট স প রত matter?

ড য় ব ট স প রত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment