হঠাৎ গ্রামের বাড়িতে হাজির ববিতা-সুচন্দা-চম্পা, অতঃপর…
হঠ ৎ গ র ম র ব – হঠাৎ গ্রামের বাড়িতে হাজির ববিতা, সুচন্দা ও চম্পা এক অপরিচিত আসর ঘটিয়েছেন। যশোরের নানা ও দাদার বাড়িতে অবতরণ করেছেন তিনি এবং তাঁদের ভাই অবসরপ্রাপ্ত পাইলট ইকবাল ইসলাম। গত ২০ জুন থেকে সন্তান ও স্বজনদের সঙ্গে সাতটি গাড়ি নিয়ে ঢাকা থেকে যশোরে যাওয়া হয়েছে। দুই দিন বাড়িতে কাটানোর পর গভীর রাতে ঢাকায় ফিরে আসেন তাঁরা। এই হঠাৎ গ্রামের বাড়িতে হাজির ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত সংস্কৃতি কেন্দ্রিক হয়েছে বলে মনে হয়, তবে এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবও নিশ্চিত করেছে।
সাংস্কৃতিক ব্যাপারে তাঁদের প্রভাব
ববিতা, সুচন্দা ও চম্পা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র জগতের তিন স্থায়ী চেহারা। তাঁদের সম্পর্কে গ্রামের বাড়িতে হাজির ঘটনা নয় বছরে প্রথম কার্যক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনার পিছনে একটি অবিস্মরণীয় উদ্যোগ ছিল, যার মাধ্যমে তাঁরা সাধারণ মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করেন। গ্রামের বাড়িতে হাজির ঘটনায় তাঁদের অভিনয় কর্ম থেকে বেরিয়ে আসে সামাজিক জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা। ছোট ছোট সামাজিক ঘটনার সাথে তাঁদের মুখোমুখি হয়েছেন অনেক সাধারণ মানুষ।
তিন কলাকার গ্রামের মহান ছেলে সঙ্গে দেখা করেছে
যশোরের বাড়িতে হাজির তিন শিল্পীর মুখে অনেক আবেগ প্রকাশ পেয়েছে। তাঁদের ভাই ইকবাল ইসলাম এবং তাঁদের ছোট ছোট সন্তানদের সাথে সাক্ষাৎ করার পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করেছেন। গ্রামের বাড়িতে হাজির ঘটনায় তাঁদের প্রতিটি মুহূর্ত সম্পর্কে বিশেষ উল্লেখ করা হয়। কেউ কেউ বলেছেন যে এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চারপাশে তাঁদের প্রভাবের প্রমাণ হিসেবে অপরিহার্য।
বিশেষ সফরের উপলক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছিল
গ্রামের বাড়িতে হাজির ঘটনার পর বিভিন্ন কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছিল। যশোরের সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ঘুরে দেখেছেন সুচন্দা। তাঁর নাম ছিল মোমিন গার্লস স্কুল। প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রদের সাথে কিছু মুহূর্ত বর্ণনা করেছেন তিনি। ছাত্রদের সাথে যোগাযোগ করেছেন তাঁরা এবং স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন যেন তাঁদের জীবনের প্রতিটি কাজ মানুষের জন্য উপযুক্ত। এই সফরে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে সাক্ষাৎ করা হয়েছিল যারা একটি বিশেষ পরিবেশ গড়েছেন তাঁদের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে।
