সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিক, ট্রাম্প চাইলেও এটা কি সম্ভব
স দ আরব ক ত র প – গতকাল সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশকে আব্রাহাম চুক্তির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন যে বেশি দেশ এই চুক্তিতে যোগ দিলে মধ্যপ্রাচ্যে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। আব্রাহাম চুক্তিকে তিনি নিজের প্রথম মেয়াদে পররাষ্ট্রনৈতিক সফলতার চূড়ান্ত কূটনৈতিক সাফল্য বলে প্রকাশ করেছেন।
ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন
২০২০ সালে হোয়াইট হাউসে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় গৃহীত হয়। এর আগে শুধু মিসর ও জর্ডান স্বাক্ষরিত চুক্তি করেছিল। পরে মরক্কোর সঙ্গে একই ধরনের সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব গৃহীত হয়।
ট্রাম্প এই চুক্তি হলো মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অবলম্বনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকার জন্য আরও কয়েকটি দেশকে প্রস্তুত, আগ্রহী ও সক্ষম হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২৪ সালে তাঁর পুনর্নির্বাচনের পর থেকে ট্রাম্প এই চুক্তির পরিধি বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছেন। তবে খুব বেশি সফলতা হয়নি। গত নভেম্বরে কাজাখস্তান চুক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়। এই দেশটির সঙ্গে ইসরায়েলের আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল।
অর্থনৈতিক সুযোগ ও সমালোচনা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান শহর দুবাইতে ইসরায়েলি পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতের বিশিষ্ট কোম্পানিগুলো নতুন চুক্তি করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। আমিরাত ও তেল আবিবের মধ্যে নিয়মিত ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়। মরক্কোতেও ইসরায়েলি পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত সমাধানে এই চুক্তি কোনো অগ্রগতি আনতে পারেনি। আরব নেতাদের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য হলো পশ্চিম তীর ও গাজাকে নিয়ে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে এটি আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনে সীমিত ছিল।
ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ‘শান্তি’ বলে বিবৃত করে
