প্রাণ ও পরিবেশের সুরক্ষায় ইসলামের ১০ শিক্ষা
প র ণ ও পর ব শ – আধুনিক যুগে পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন পৃথিবীর অস্তিত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষের সচেতনতার অভাব কারণে প্রকৃতি ও প্রাণীদের ক্ষতি স্থানান্তরিত হচ্ছে। অথচ ইসলামের আচার ও তাওরাত প্রকৃতির রক্ষণশীলতা এবং প্রতিটি জীবের প্রতি দয়ার সামগ্রিক রূপরেখা স্থায়ী মার্গ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ইসলামের মূল দৃষ্টিভঙ্গি বর্ণনা করা হলো যে বৈশ্বিক সম্পদ ও জীবনের সুরক্ষা জন্য ১০টি মূলনীতি
ইসলাম প্রকৃতির সম্পদ রক্ষা করার জন্য কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করেছে। মানুষকে ভারসাম্য বজায় রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা বলেন, “সবকিছু আমি সৃষ্টি করেছি এক নির্দিষ্ট পরিমাণে (ভারসাম্যের মাধ্যমে)।” (সুরা কামার, আয়াত: ৪৯)
গাছ লাগানো সাধারণত সার্বিক পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। রাসুল (সা.) একটি হাদিসে বলেন, “যদি কোনো মুসলিম গাছ রোপণ করে অথবা শস্য বপন করে, আর তা থেকে কোনো পাখি, মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু ভক্ষণ করে, তবে তা রোপণকারীর জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হবে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৩২০)
পানি হল জীবনের নিশ্চিত উৎস। এর অপচয় ও উৎস দূষণ ইসলামের প্রতিষ্ঠিত নির্দেশ। রাসুল (সা.) বলেন, “প্রবাহিত নদীর কিনারে অজু করার সময় পানি অপচয় করা নিষিদ্ধ।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪২৫)
প্রাণীদের সম্পদ আছে বলে মনে করা হয়। মানুষ আল্লাহ কর্তৃক সৃষ্ট সব জীবকে দয়া করে কিছু আছে। রাসুল (সা.) ক্ষুধার্ত উটের দুঃখ দেখে মালিককে তিরস্কার করেছিলেন। তিনি বলেন, “এই নির্বাক পশুদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো।” (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৫৪৮)
যুদ্ধের সময় প্রকৃতি ধ্বংস করা নিষিদ্ধ। সবুজ গাছপালা কাটা বা জনপদ জ্বালিয়ে দেওয়া ইসলামের সমরনীতির বিরোধী। আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি বলেন, “যুদ্ধের ময়দানেও আল্লাহর মালিক হিসেবে প্রকৃতির রক্ষা করা উচিত।” (ফাসলুল খিতাব ফি সিরাতি আমিরিল মুমিনিন আবু বকর আস-সিদ্দিক, ১/১২২)
নিশ্চিত করা হয়েছে যে মানুষ প্রকৃতির অধিকার নিয়ে আমানতদার। আল্লাহ বলেন, “খাও এবং পান করো কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।” (সুরা আরাফ, আয়াত: ৩১)
পরিবেশ বিষয়ক কর্মে ইমানের সতর শাখার সর্বনিম্ন অংশ হলো পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। স্থির পানি বা ছায়াযুক্ত স্থান দূষিত করা অভিশপ্ত কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়। রাসুল (সা.) এর হাদিসে বলা হয়েছে, “পানির ঘাটে, রাস্তার মাঝখানে এবং গাছের ছায়ায�
