Uncategorized

সি চিন পিংয়ের প্রতিশ্রুতি—চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

সি চিন পিংয়ের প্রতিশ্রুতি—চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স চ ন প য় র প - প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

Desk Uncategorized
Published June 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সি চিন পিংয়ের প্রতিশ্রুতি—চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

স চ ন প য় র প – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীন সমর্থন করতে প্রস্তুত হয়ে থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। সফরের শেষ দিনে বেইজিংয়ে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয়। পরে হোটেল ‘দিয়াওইউতাই’-তে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ কথা ঘোষণা করেন।

প্রতিশ্রুতি ও সম্পৃক্ততা

বৈঠকে সি চিন পিং বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলি সমর্থন করতে প্রস্তুত হয়ে থাকবে বলে ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের যোগ দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব সৃষ্টি করবে যা দুই দেশের সম্পর্কে স্থায়ী ভিত্তি স্থাপনে সহায়তা করবে। হুমায়ুন কবির বলেন, ঝাও লেজি বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলির প্রতি চীনের সমর্থন তুলে ধরেছেন এবং তাঁর পদমর্যাদা অনেকটা পার্লামেন্টের স্পিকারের সমতুল্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে থাকবে। এটি দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের পক্ষে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন ঝাও লেজি।

চীন সফরটি বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে প্রস্তুত হয়ে থাকবে বলে জানান হুমায়ুন কবির। প্রেসিডেন্ট সি বিশ্বজুড়ে অনুদান ক্রমেই কমছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলিতে আরও মার্কিন ডলার অনুদান দিবে।

চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে থাকবে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ এবং চীনের সম্পর্কে আগামী সময়ে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।

ব্রিকসে যোগদান ও সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সঙ্গে সহযোগিতা বিষয়ে বাংলাদেশের প্রচেষ্টা প্রতি চীনের সমর্থন পাওয়া যায়। এ বিষয়ে বলেন, চীন বাংলাদেশের সামগ্রিক বাজার বিস্তারে সহায়তা করবে এবং দুই দেশের বৈশ্বিক দক্ষিণে প্রতিনিধিত্ব করবে।

চীন সফরটি বৈশ্বিক দক্ষিণে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে। এ সফরে বাংলাদেশের আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে চীনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধি করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে অনুদান ও ঋণের মাধ্যমে �

Leave a Comment