সাভারে এনসিপি সমাবেশে বিস্ফোরণ ঘটেছে
স ভ র এনস প র সম – ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রার সমাপ্তির পর সমাবেশে বিস্ফোরণ ঘটেছে। সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তারাপুর ঈদগাহ মাঠ এলাকায় দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের উপস্থিতিতে এ বিস্ফোরণে কমপক্ষে চার ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
হামলার অভিযোগ ও আহতদের পরিস্থিতি
এনসিপি অভিযোগ করেছে যে সমাবেশে ককটেল হামলা করা হয়েছে প্রশাসনের সহায়তায়। আহত ব্যক্তিরা বলেছেন যে বিস্ফোরণ ঘটেছে মঞ্চের সামনে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে। তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে সাভারের বেসরকারি এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসান চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা চার রোগী পেয়েছি। এর মধ্যে একজনের পায়ে গুরুতর আঘাত হয়েছিল।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রশাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে নাই, প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে। আপনারা ককটেল ফোটান, গুলি চালান, বোমাবাজি করুন—এনসিপির জুলাই পদযাত্রা চলমান থাকবে। যত ভয়ভীতি, বোমাবাজি, ককটেল—সবকিছু উপেক্ষা করে আমাদের পদযাত্রা চলমান থাকবে।’
সমাবেশের শুরুতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া বিষয়টি উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? সেটা আজকের এই ককটেল হামলার পরিকল্পনা ছিল।’
আহতদের সাথে সামগ্রিক বিষয়ে বক্তব্য
নাহিদ ইসলাম যোগ করেন যে এ ধরনের ঘটনা মানেই পুলিশের ব্যর্থতা আছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। তিনি বলেন, ‘পুলিশ যদি দলীয়করণ করা হয়, তাহলে কাজ করবে রাজনৈতিক নির্দেশে। গ্রেপ্তার করতে পারে কি না তার ওপর পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
ঘটনার পর ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরণ ঘটেছে বক্তৃতা চলাকালে। সেটা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা আহতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সাভারে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। যারা ককটেল হামলাকারীদের প্রশ্রয় দেবে তারা সন্ত্রাসী এবং বোমাবাজ। তাদের পরিণতি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতো হবে।’
পুলিশ সুপার বলেন, ‘মামলা হলে ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হবে। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ তিনি আর
