সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত গাড়িঋণ বন্ধ, বিদেশ সফরে কড়াকড়ি
সরক র কর মকর ত দ র – গত বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ দ্বারা জারি করা পরিপত্রে সরকার কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ বন্ধ করেছে। এই নীতি গৃহীত হয়েছে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রয়োজনে অর্থনীতি ও সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে। নতুন ভবন নির্মাণ, ভূমি অধিগ্রহণ এবং বিদেশ সফর বা প্রশিক্ষণের জন্য কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
পরিপত্রে নির্দেশনা প্রযোজ্য সংস্থাগুলো
এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, করপোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য। পরিচালন বাজেট, উন্নয়ন বাজেট এবং উভয় বাজেটের জন্য আলাদা নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ বন্ধ করার সিদ্ধান্তে একান্ত প্রয়োজন হলে বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার অনুমতি রয়েছে। অর্থ বিভাগ ঘোষণা করেছে যে চলতি অর্থবছরের বাজেটে পরিচালন ব্যয় থেকে প্রশিক্ষণ বাবদ ৪ হাজার ৬২৮ কোটি, জ্বালানি তেল বাবদ ৩ হাজার ২৫১ কোটি এবং ভ্রমণ ও বদলি বাবদ ২ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
মূলধন ব্যয় থেকে ভূমি বাবদ ৬ হাজার ৭৩৩ কোটি, ভূমি উন্নয়ন বাবদ ২০৩ কোটি এবং সরকারি কর্মচারীদের ঋণ বাবদ ৪৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ পরিপত্রের মূল নীতি প্রস্তাব করা হয়।
প্রয়োজনের সময়ই ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ অর্থ ছাড় দেওয়া হবে। অনেক সময় আগেভাগেই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় যখন প্রকল্প বাস্তবায়ন দেরি হয়। সে কারণে সরকার ঋণের সুদ দিতে হয়।
অর্থ বিভাগের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন গাড়ি কেনার ঋণ বন্ধ করা হয়েছে। তবে কর্মকর্তারা সুফল প্রতিটি সিদ্ধান্তে সর্বোচ্চ মূল্য নির্ণয় করতে হবে।
এ নির্দেশনার প্রভাবে সরকারি কর্মচারীদের সুদমুক্ত গাড়িঋণ বন্ধ থাকার কারণে প্রতিমূল্য বৃদ্ধির কারণে কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত গাড়ি কিনত
