সার্ক পুনরুজ্জীবনের পথে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি
র জন ত ক ব র ধ – বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত সার্ক পুনরুজ্জীবন সম্পর্কিত সেমিনারে বক্তৃতা দিয়ে বলেন, ছোট দেশগুলো সম্মিলিতভাবে বক্তব্য প্রকাশ করতে পারে এবং ভারত আঞ্চলিক নেতৃত্ব প্রদর্শন করতে পারে। সার্ক ভারতের অবিচ্ছেদ্য আঞ্চলিক নেতৃত্ব বৃহত্তর দক্ষিণ এশীয় কাঠামোর সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে এবং রাজনৈতিক বিরোধ দূর হওয়া পর্যন্ত নানা সমস্যার সমাধানে কাজ করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
সেমিনারটি বিআইআইএসএস আয়োজন করে যার শীর্ষক ছিল ‘বিশ্বাসের পুনর্নির্মাণ আঞ্চলিক একত্রীকরণের নবায়ন: সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার পথ’। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সেন্টার ফর বে অব বেঙ্গল স্টাডিজের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার তারিক এ করিম। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত পররাষ্ট্রসচিব ও কোডারসট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুল হক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস।
তিনি বলেন, সার্কের উদ্দেশ্য কোনো দুই দেশকে রাজনৈতিক সংলাপে বাধ্য করা নয়; বরং দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা যেন পুরো আঞ্চলিক সহযোগিতা ব্যবস্থাকে অচল না করে, তা নিশ্চিত করা আবশ্যক।
বাংলাদেশের সার্ক ও বিমসটেক মধ্যে প্রতিযোগিতা নয় বরং পরিপূরক সম্পর্ক থাকা উচিত বলে মনে করেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, বিমসটেক দক্ষিণ এশিয়াকে বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে। অন্যদিকে সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিস্তৃত আঞ্চলিক পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করে এবং বিমসটেকের বাইরে থাকা দেশগুলোও অন্তর্ভুক্ত।
শামা ওবায়েদ আরও বলেন, আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ সার্ক এবং বিমসটেককে সমর্থন করতে পারে কারণ উভয় প্ল্যাটফর্মই জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে। তিনি বলেন, কার্যকর সহযোগিতার জন্য দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার পুনরুজ্জীবনের প্রাথমিক ধাপে সার্ককে সর্বোচ্চ কার্যকর অবস্থায় পরিচালনা করা আবশ্যক।
নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর তিনি সার্কভুক্ত সব দেশের প্রতিনিধিদের
