মামলা–জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী
ম মল জট লত য় শ ক – বুধবার (১৭ জুন ২০৲৬) জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা করেন যে বিভিন্ন মামলার কারণে দেশের হাজারো শিক্ষকের নিয়োগ, পদোন্নতি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আদালতপাড়ায় যাওয়া হয়েছে এবং মামলার জটিলতা নিরসনের জন্য প্রথম সপ্তাহে প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপিল বিভাগে কোনও কার্যতালিকা না হওয়ায় কার্যক্রমে প্রগতি ঘটছে না।
“প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নাইটগার্ড নিয়োগ কার্যক্রম অসম্পূর্ণ হয়ে আছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কোনও উদ্যোগ কর্তৃপক্ষের কারণে ক্ষুব্ধ হওয়া হয়েছে।”
সংসদে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এ বছরের আইএলটিএস পরীক্ষায় ৬২৭৯৪ শিক্ষার্থীর ফলাফল ভুল হয়েছে। ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নিয়োগ ও প্রত্যয়নের কার্যক্রম ঝুলে রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ৩৩ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে। কিন্তু মামলার জটিলতার কারণে পদোন্নতি প্রক্রিয়া বিলম্ব হয়েছে।
তিনি বলেন, যোগ্য শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক হওয়ার আগেই অবসরে চলে যাচ্ছেন। সারা দেশে এমন শিক্ষকদের সংখ্যা বেশি। প্রশাসনিক কার্যক্রমে মামলার কারণে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মসংস্থানের সমস্যা ঘটছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বদলি সংক্রান্ত দায়িত্ব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। তবে বিচারাধীন মামলাগুলো নিষ্পত্তি পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ এবং পদোন্নতি কার্যক্রমে প্রতিটি পদে বিলম্ব হয়ে আছে।
