ফরহাদ মজহার: মাজারে মানতের টাকা চুরি করেন বলেই পাগলদের তাড়াতে চান
ম নত র ট ক চ র – মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার শাহ আলী মাজারে অনুষ্ঠিত গণ-অবস্থান ও ভাবগানের আসরে কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “মাজারে মানতের টাকা চুরি করেন বলেই আপনারা পাগলদের তাড়াতে চান। সারা বাংলাদেশকে তামাক চাষের ক্ষেত্র বানাইছেন। আপনারা মদের বিরুদ্ধে কথা বলেন না, কিন্তু হোটেলে গিয়ে মদ খাওয়া নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেন। কারণ, আপনারা মাজারের টাকা লুট করতে চান।”
ফরহাদ মজহার বলেন, “মাজারের পাগলদের হক লুট করতে চান। এটা তার হক। আপনারা তাকে রাষ্ট্রের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। আপনারা তাকে সামাজিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। কোনো দিন খোঁজ নেন নাই।”
হামলার ঘটনার পর ওরস মাহফিল শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী (১৯-২১ মে) মাজারে সারা দেশ থেকে হাজার হাজার সাধু-গুরু-ভক্ত ও আশেকান নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেছেন। এ মামলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত চারজনকে শাহ আলী থানায় গ্রেপ্তার করা হয়। মাজারে জিয়ারত ও মানত কার্যক্রম চলছিল বলে উল্লেখ করা হয়, তবে অভিযোগ তুলে শাহ আলী মাজারে হামলা করে একদল লোক ছিল।
গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ফরহাদ মজহার আরও বলেন, “মানুষের আচার-আচরণ বা আকিদা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু মাজার সবার জন্য বলে মন্তব্য করেন। এখানে সবাই সম্মান পাবে। কেউ ওয়াজ করতে চাইলে করবে, কেউ গান গাইতে চাইলে গাইবে। কিন্তু কেউ কারও কাজে বাধা দিতে পারবে না।”
আরও বলেন, “গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হতে হবে মাজার থেকেই। সমাজ যদি সবাইকে নিয়ে চলতে চায়, তাহলে তার রাজনৈতিক ভিত্তিও মাজারের দর্শনের মতো হতে হবে।”
মাজারের ভক্তদের উদ্দেশে ফরহাদ মজহার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তোমরা যদি পাগল হয়ে থাকো, তোমরা যদি নবীর আশেকান হয়ে থাকো, তাহলে মাজারের আদব রক্ষা করতে হবে। এতটা উচ্ছৃঙ্খল হবে না। উচ্ছৃঙ্খল হওয়া আমাদের কাজ না।”
গণ-অবস্থানের পর মোহাম্মদ রোমেল বলেন, “নির্বাচিত সরকার আসার পর মনে করা হয়েছিল দেশের অবস্থার উন্নতি ঘটবে। কিন্তু সেই আগের মতোই মাজারে হামলা চলছে। গণ-অভ্যুত্থানের পরে সারা দেশে এক শর বেশি মাজারে হামলা হয়েছে, যা কোনোভাবেই মানা যায় না।”
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তাঁদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল ইসলাম, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা জসীম উদ্দিন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শাহ
