ব্রণের দাগের চিকিৎসা কী
ব্রণের গর্তের ধরন ও বৈশিষ্ট্য
ব রণ র দ গ র চ – ব্রণ যে কোন বয়সে ঘটতে পারে। ব্রণ সারানোর পরও ত্বকে বিভিন্ন ধরনের দাগ থাকতে পারে। এগুলো চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের পদ্ধতির প্রয়োজন হয়।
গুরুতর চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজন
সাধারণ সিরাম বা ক্রিম দিয়ে ব্রণের গর্ত দূর করা সম্ভব নয়। কারণ এগুলো ত্বকের গভীরে কোলাজেন ক্ষতির কারণে তৈরি হয়। মেডিক্যাল ভাষায় এগুলোকে স্কার বলা হয়। স্কার গুলি কী ধরনের কিছু হতে পারে তা জানা জরুরি।
বিভিন্ন ধরনের স্কার
আইস পিক স্কার সরু ও গভীর ছোট গর্ত হিসেবে দেখা যায়। এগুলো সুচের খোঁচার মতো দেখতে। বক্স স্কার গোলাকার বা চৌকো আকৃতির হয়। রোলিং স্কার ত্বকে ঢেউখেলানো স্থান তৈরি করে। কারণ এগুলো ফাইব্রাস টিস্যু দ্বারা ত্বককে নিচের দিকে টেনে রাখা হয়। হাইপারট্রফিক স্কার ত্বকে উঁচু বেলন গঠন করে এবং এগুলো বুকে, কাঁধে ও পিঠে বেশি দেখা যায়। এগুলোকে কিলোয়েড স্কার বলা হয়।
প্রায়শই ব্যবহৃত চিকিৎসা পদ্ধতি
অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে বা অন্যদের পরামর্শ গ্রহণ করে মাসের পর মাস সিরাম, ক্রিম বা ফেসিয়াল করাতে থাকেন। এতে সময় ও অর্থ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের সংবেদনশীলতা ও কালো দাগ আরও বেড়ে যেতে পারে।
আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি
এখন দেশে ব্রণের গর্ত দূর করতে বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রাকশনাল কার্বন ডাই-অক্সাইড লেসার, মাইক্রোনিডলিং আরএফ, ডারমাপেন মাইক্রোনিডলিং, সাবসিশন, টিসিএ ক্রস ও কেমিক্যাল পিলিং। রোলিং স্কারের ক্ষেত্রে সাবসিশন বিশেষ কার্যকর হতে পারে। বক্স স্কারের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইড লেসার বা মাইক্রোনিডলিং আরএফ ভালো ফল দিতে পারে। আইস পিক স্কারের ক্ষেত্রে টিসিএ ক্রস পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
চিকিৎসার বিশেষত্ব ও সময় সাপেক্ষতা
কোনো রোগীর মুখে একাধিক ধরনের স্কার একসঙ্গে �
