বেকারি থেকে গ্যাস নির্গত হচ্ছে কি না, পরীক্ষা করা হবে
রাজধানীর আদ্দ্বীন হাসপাতালে পরিদর্শনের সময় আপত্তিকর অবস্থা পরিলক্ষিত হয়েছে
ব ক র থ ক গ য – স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন শনিবার বিকেলে রাজধানীর আদ্দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালের পাঁচতলায় অবস্থিত নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে পানি জমাট বাধা দেখা গেছে। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, বেকারি এবং রুটির কারখানা থেকে কোনো গ্যাস নির্গত হচ্ছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।
‘ওই জমাট পানি এবং রুটির কারখানা থেকে কোনো ধরনের গ্যাস নির্গত হয়ে নবজাতকদের ক্ষতি করেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছি।’
হাসপাতালের পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বেকারি আট বা নয়তলায় অবস্থিত এবং কলেজ ভবনের নিকটে অবস্থিত। এখানে ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহার করা হয়, কোনো গ্যাস নেই। কিন্তু পরিদর্শনের সময় তিনি দেখেন, বেকারিতে পানি জমে ছিল।
বুধবার সকালে ডেলিভারির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তদন্তের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটি পরিদর্শনের সময় পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত হবে বলে আশা করছেন মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
তদন্ত কমিটি ও পরিবেশগত প্রতিবেদন প্রস্তুত করছেন
বেকারি থেকে নবজাতকদের ক্ষতি হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, কমিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে। সেতু দ্বারা সংযুক্ত ভবনে বেকারি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, নবজাতকেদের মায়েদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।
‘নবজাতকদের অভিভাবকেরা এতে সম্মতি দেননি। সিআইডিসহ সংশ্লিষ্টরা তাঁদের রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মা-বাবার মানসিক অবস্থা বিবেচনায় বিষয়টি সম্ভব হয়নি।’
আদ্দ্বীন হাসপাতালের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়া হয়। গণমাধ্যমকর্মীরা ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মী বাধা দেন। পরে মহাপরিচালক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, বেকারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলগালা করে দিয়েছেন। এখন আর কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা গণমাধ্যমকর্মীদের চড়াও করে দেন। আহত করা হয় কয়েকজন। কমিটির প্রতিবেদন জমা হবে ৩ জুন পর্যন্ত জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কারিগরিসহ সব বিষয
