গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়াতে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিবর্তন
গ র ন ক র ড র – মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন বিভাগ (ইউএসসিআইএস) স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পরিবর্তনের আবেদন করার ক্ষেত্রে কিছু সুনিয়ন্ত্রিত হওয়ার প্রক্ষেপণ করেছে। ইউএসসিআইএস ঘোষণা করেছে যে যারা মার্কিন অর্থনীতির প্রতি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, তাদের দেশ ছেড়ে না আসার সুযোগ পাওয়া যাবে। এই নিয়ম অনুসারে আবেদনকারীদের আগে নিজ দেশে ফিরতে হবে না, তারা স্থানীয় প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করতে পারবেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিয়ম কী?
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে যারা মার্কিন সীমান্ত ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অবস্থান করছেন, তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের মর্যাদা পরিবর্তনের আবেদন করার অনুমতি দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারী প্রথমে নিজ দেশে ফিরতে হবে এবং তারপর সেই দেশে থাকতে আবেদন করতে হবে।
তাদের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের বাস্তবতা বিবেচনাসাপেক্ষে নিজ দেশ থেকে আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।
বিশ্লেষকদের বিশ্লেষণ আর আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতি বিশেষ করে পরিবারগুলোকে বিচ্ছিন্ন করার আশংকা তৈরি করছে। অনেক আবেদনকারী পেশাগত সুযোগ হারিয়ে পড়তে পারেন। টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত আইনজীবী স্টিভেন ব্রাউন বলেছেন, “আমরা এ প্রশাসনের ক্ষেত্রে দেখেছি যে তারা প্রথমে কার্য করে, পরে ভেবে দেখে। এটি আমি বলি, আগে গুলি ছোড়া এবং তারপর লক্ষ্য ঠিক করা। তারা শুরুতে একটি ঘোষণা করে এবং মুখরোচক শিরোনাম তৈরি করে। পরে বুঝতে পারে যে বড় ভুল হয়েছে, তখন পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছুটা নমনীয় হয়।”
সংস্থাগুলির মতামত ও প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী ও অন্য অভিবাসীদের সহায়তা করা অলাভজনক সংস্থা হিসেবে পরিচিত হিউম্যান ইটারন্স অ্যাসিস্ট্যান্স সংস্থা (এইচআইএএস) বলেছে যে নতুন নীতি কারণে বিভিন্ন ব্যক্তি এবং নির্যাতিত শিশুদের ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ অবশ্য কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তাদের আগে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে হবে।
অভিবাসন আইনজীবীদের সংগঠন এআইএলএ এক্সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে যে বছরের পর বছর ধরে চলছে আবেদন নিয়ম কেবল একটি মেমোর মাধ্যমে বদলে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এবং আদালতে সম্পর্কে চ্যালেঞ্জ তুলে দেওয়া হতে পারে।
