বরিশালে সাতটি শিয়াল পিটিয়ে হত্যায় জড়িতদের পরিচয় মিলেছে, মামলার প্রস্তুতি বন বিভাগের
বর শ ল স তট শ য় – বরিশাল নগরীতে সাতটি শিয়াল হত্যা করার ঘটনার প্রতি বন বিভাগ কার্যত কাজ করছে। শনিবার বিকেলে ঘটনার নিশ্চয়তা দিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান যে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মামলার প্রস্তুতি চলছে রোববার আদালতে।
২ জুলাই নগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকায় সাতটি শিয়াল পিটিয়ে ও টেঁটাবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি স্থানীয় বাসিনদের মাধ্যমে স্বীকৃত। আর ঘটনার বিষয়ে জানাজানি হয় ৮ জুলাই। তখন থেকে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সরিয়ে ফেলা হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় পাঁচটি মৃত শিয়াল মাটিতে পড়ে রয়েছে। পাশে আরও দুটি শিয়ালের চামড়া ছাড়ানো হচ্ছে। এ সময় এক ব্যক্তি বলেন, ‘এলাকায় হাঁস-মুরগি ও ছাগল খাওয়ায় শিয়ালগুলো মারা হয়েছে। কারও প্রয়োজন হলে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকায় শিয়ালের মাংস নিয়ে যেতে পারেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নারী জানান, শিয়ালের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় অনেকের হাঁস-মুরগি ও ছাগলের ক্ষতি হয়েছিল। এ কারণে কয়েকজন মিলে শিয়াল মারার সিদ্ধান্ত নেন। ওই দিন সকালে ৬০ থেকে ৭০ জনের দল জঙ্গলে গিয়ে শিয়ালের আস্তানায় হামলা চালায়। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে শিয়ালগুলো দিগ্বিদিক পালানোর চেষ্টা করলে লাঠি ও সোঁটা দিয়ে সাতটি শিয়াল হত্যা করা হয়। পরে হামলাকারীরা মাংস নিয়ে স্থানীয় বাজারে গিয়েছিল। অবশিষ্ট মাংস ও চামড়া মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে আরেক ব্যক্তি জানান, শিয়ালের মাংস খেলে বিভিন্ন রোগ ভালো হয় বলে কুসংস্কারের কারণে কয়েকজন রাতে মাংস রান্না করে রুটি-পিঠা দিয়ে খেয়েছেন। তবে কারা খেয়েছেন ও কারা হত্যায় নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা তিনি বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
আইনের বিষয়ে মত জানান পরিবেশবাদীরা
বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী শিয়াল হত্যা বা মাংস বিক্রি দণ্ডনীয় বা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই এ ঘটনার প্রতি পরিবেশবাদীরা শাস্তির দাবি
