কাফনের কাপড় খুলে শেষবারের মতো ছোট মুখটি দেখবেন, এমন স্বজনও নেই
ক ফন র ক পড় খ ল – ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মোড়ানো ছোট মৃতদেহটি দেয়াল ঘেঁষে রাখা হয়েছিল। সাদা কাফনে আবৃত লাশের উপর রাখা কাগজে নাম মাহির এবং বয়স ৮ মাস লেখা ছিল। শুক্রবার ভোরে তার লাশটি সেখানে ছিল।
বৃহস্পতিবার রাতে মাহির রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে হাম ও হাম–পরবর্তী নানা জটিলতার কারণে মারা যায়। এর পর তার মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের দাফন সেবা অফিসার কামরুল আহমেদ মৃতদেহটি জুরাইন কবরস্থানে নিয়ে যান।
সেখানে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করার ব্যবস্থা ছিল। মাহিরের লাশটি অত্যন্ত ছোট যে এম্বুলেন্সের সামনে রাখার জন্য কোনো ফ্রিজ প্রয়োজন ছিল না। কামরুল আহমেদ ও মো. কিসমত অ্যাম্বুলেন্সে বসে থাকেন। কাফন খুলে শেষবারের মতো তার মুখটি দেখার জন্য কোনো স্বজন ছিল না।
তেজগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। যেহেতু মাহিরের মৃত্যু নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ ছিল না, তাই বিনা ময়নাতদন্তে মৃতদেহ হস্তান্তরের আবেদন করা হয়। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামকে দাফন সম্পর্কে জানানো হয়।
মাহির জন্মের পর শরীরের তুলনায় তার মাথাটি অনেক বড় ছিল। ছোটমণি নিবাসে তার ঠিকানা ছিল আজিমপুরে সরকারের সংস্থার নিবাস। গত জানুয়ারি মাসে তিনি গাজীপুরের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশে এই নিবাসে এসেছিলেন।
হাম ও শ্বাসকষ্টের জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল
হামের জন্য কিউর স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন প্রায় দুই মাস অবিলম্বে চিকিৎসা করা হয়। ৫ জুলাই বিকেলে নিবাসে আনা হয়। পরের দিন অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।
নিবাসে আছে প্রায় ৩৮ শিশু। হাম জন্য ওদের রক্ষা করা খুবই কঠিন কাজ। আমাদের সমস্যা হয়েছে এক জায়গায় নানা বয়সী অনেক শিশু থাকার কারণে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা ও বরিশালে ছোটমণি নিবাস প্রতিষ্ঠান সারা দেশে ছয়টি রয়েছে। হামের জন্য প্রতিষ্ঠানটি এক মাস ধরে পরিচালনা করছেন উপতত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন।
মাহিরের বয়স হয়েছিল মাত্র ৩ মাস ১৮ দিন। মা ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হ
