Uncategorized

প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর থানায় এজাহারটি দিতে পারলেন আদিল হোসেন

প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর থানায় এজাহারটি দিতে পারলেন আদিল হোসেন ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা প র য় স ত ঘণ ট - প্রয় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর গুলশান এলাকার একজন

Desk Uncategorized
Published June 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর থানায় এজাহারটি দিতে পারলেন আদিল হোসেন

ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা

প র য় স ত ঘণ ট – প্রয় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর গুলশান এলাকার একজন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আদিল হোসেন শেষ পর্যন্ত গুলশান থানায় মামলা দায়ের করতে সক্ষম হন। ঘটনাটি তিন দিন আগে রাত সোয়া আটটার দিকে ঘটে। সেই সময় তিনি নিজের মুঠোফোন চুরি হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দুর্বৃত্তদের দুপুরে বিকাশ কল সেন্টারে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর ব্যবহৃত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার অনুরোধ জানান। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করার জন্য সিমটি ফেরত পাওয়ার পর তিনি নতুন পিন নম্বর নির্ধারণ করেন। এই প্রক্রিয়া প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর আসে যখন তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় এক দশা টাকা খোয়া হয়।

আদিল হোসেন বলেন, প্রতিকার খুঁজে রোববার সকালে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সাইবার নিরাপত্তা বিভাগে আসেন। সেখানে ডিবি কর্মকর্তারা তাঁকে গুলশান থানায় মামলা করার পরামর্শ দেন। তাঁদের পরামর্শ অনুসারে বেলা আড়াইটার দিকে তিনি থানায় আসেন। তখন সেখানে ওসি স্যার দেখা করতে পারেন না বলে পুলিশ সদস্যের কাছে তাঁর অভ্যর্থনা ডেস্কে গেলে জানা যায়। তিনি কয়েক দফা অপেক্ষা করেন। তবে মামলা নেওয়া হয়নি। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান তাঁকে কক্ষে ঢুকিয়ে দেন।

তদন্তের প্রক্রিয়া ও সমস্যা

গুলশান থানায় এজাহার দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর সম্পন্ন হয়। পুলিশ তদন্তকারী মোখলেসুর রহমান তাঁকে পরামর্শ দেন যে মামলা দেওয়া হবে সময় পাওয়ার পর। এটি তাঁর দৃষ্টিতে কিছুটা দুর্বিস্মরণীয় হয়ে ওঠে। সেই সময় আদিল হোসেন আরও জানান যে তিনি আগে কখনো থানায় এজাহার দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে খুব কম জানতেন। তাই এই অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য নতুন আঁকড়া হয়ে ওঠে।

প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর তিনি গুলশান থানায় এজাহার লেখা শেষ করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বলেন, সেই সময় তাঁর সাথে পুলিশ কর্মকর্তাদের কথা বলতে হয়। তাঁরা তাঁকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেন না বলে মনে করেন। তবে পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান এতে সহায়তা করেন। তিনি আদিল হোসেনের মামলা দেখার জন্য সময় নেন এবং পরে কক্ষে তাঁকে আবার ঢুকিয়ে দেন। ফলে তিনি গুলশান থানায় প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর নিরাপত্তা পেয়ে সন্তুষ্ট হন।

আরও বিস্তারিত বিবরণ

গুলশান থানায় এজাহার দেওয়া প্রক্রিয়ায় আদিল হোসেন বলেন, তিনি স্পষ্ট ব্যবহার করেন যে প্রতিকার দেওয়ার জন্য প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর তাঁর মনে হয় এটি সম্ভব হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি পরিদর

Leave a Comment