পোড়া ঘরের কয়লাই এখন আনোয়ারার আয়ের উৎস
প ড় ঘর র কয়ল ই এখন – পোড়া ঘরের কয়লাই এখন আনোয়ারার আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে। গত ২৫ মে সন্ধ্যায় কালশী বস্তির মূল অংশ আগুনে ভাসিয়ে দেয়া হয়। এই পরিবেশে আগুন ঘটার ফলে বস্তির সারাংশ শত শত ঘর ধ্বংস হয়ে যায়। বাউনিয়া বেড়িবাঁধসংলগ্ন এই বস্তি রাজধানী ঢাকা শহরের মিরপুর এলাকায় অবস্থিত। আগুন ঘটার পর থেকে তাঁদের জীবনে এক নতুন সূত্র খুলেছে যার নাম হল বাস্তির কয়লাই।
ধ্বংসস্তূপ থেকে কয়লা সংগ্রহ করা
আনোয়ারা বেগম দুই শিশুকে সঙ্গে নিয়ে ধ্বংসস্তূপের ভেতর কয়লা সংগ্রহ করছেন। তাঁর ঘর থেকে পাওয়া কয়লাই এখন তাঁদের আয়ের প্রধান উৎস। কাঠের কয়লা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ সেগুলো সহজে বিক্রি করা যায়। তাঁর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
আনোয়ারা জানান, যে জায়গা থেকে তিনি কয়লা কুড়িয়ে নিচ্ছেন, সেখানেই ছিল তাঁদের ঘর। কয়লা পুড়ে যাওয়া ওই ঘরের কাঠের কয়লাই এখন বিক্রি করছেন। আগুনে সম্পত্তি হারানোর ফলে তাঁদের সংসারে অভাব তৈরি হয়েছে, যা আগে ছিল না।
তিনি বলেন, “খাবার সামান্য হয়ে গেছে যেখানে ডাল ও ভাত, আলুভর্তা খাওয়া মাত্রই চলে।” কয়লাই পুড়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁদের জীবনে এক নতুন সূত্র খুলেছে। ঈদের বেলা মাংস টুহাইতেও যাই নাই। আগুনে বাস্তি ধ্বংস হওয়া ঘটনা তাঁদের জীবনে একটি ধ্বংস নয়, তবে কয়লাই এখন তাঁদের প্রাথমিক আয়ের উৎস।
পরিবারের অবস্থা এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া
আগুনে ঘর হারানোর পর পরিবারের অবস্থা নিম্নগত হয়েছে। কয়লাই বিক্রি করার মাধ্যমে তাঁরা অর্থ সংগ্রহ করছেন। এটি একটি নতুন চাকরি বা উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। বস্তির কয়লাই পুড়ে যাওয়া একটি সামাজিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যাচ্ছে। কয়লাই সংগ্রহ করার জন্য তাঁরা অবিলম্বে অবস্থান করেছেন।
নাসির মিয়া জানান, এ ঘটনা তাঁর জীবনে নতুন নয়। কালশী বস্তি আগুনে ধ্বংস হওয়া ঘটনা এই বস্তির জনগণের জন্য অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, “আগুন ঘটার পর থেকে কয়লাই আমাদের সামান্য আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।”
আগুনে ক্ষয়ক্ষতির কথা বলতে গিয়ে নাসির মিয়া জানান, কালশী বস্তি আগুনে ধ্বংস হওয়ার পর থেকে কয়লাই সামান্য বিক্র
